মোহাম্মদ আককাস আলী প্রতিনিধি নওগাঁ মহাদেবপুরঃ শস্যভান্ডার হিসেবে খ্যাত নওগাঁয় ধান ও আম উৎপাদনের জন্য প্রসিদ্ধ। একসময় এ জেলায় পাট চাষ হতো ব্যাপক। কিন্তু ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় হতাশ এ জেলার কৃষকেরা। কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, পাট চাষে উৎপাদন খরচ বাড়ছে। কিন্তু কয়েক বছর ধরে কৃষকেরা ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না। এ কারণে তারা পাট চাষে আগ্রহ হারাচ্ছে। এজেলায় উপজেলা ভিত্তিক পাট চাষ হয়েছে, সদর উপজেলায় ৬০০ হেক্টর, রানীনগরে ৪০ হেক্টর, আত্রাইয়ে ২৫০ হেক্টর, বদলগাছীতে ১ হাজার ৪৬০ হেক্টর, মহাদেবপুরে ২০০ হেক্টর, পত্নীতলায় ১৫০ হেক্টর, ধামইরহাটে ৮৩০ হেক্টর এবং মান্দায় ১ হাজার ৮০০ হেক্টর। জেলার ১১ উপজেলার মধ্যে তিনটি উপজেলায় (নিয়ামতপুর, পোরশা ও সাপাহার) চলতি বছর কোনো পাটের আবাদ হয়নি। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি পাটের আবাদ হয় মান্দা উপজেলায়।
চাষিরা বলছে, বাজারে এবার পাটের দাম নেই। দু’বছর আগে প্রতিমণ পাট বিক্রি হয়েছে প্রায় পাঁচ হাজার টাকায়। গতবছর দাম ছিল তিন হাজার ২০০। অথচ এবার প্রতিমণ পাট বিক্রি হচ্ছে মাত্র দুই হাজার টাকায়। এবার পাট চাষে খরচও বেড়েছে। প্রতিবিঘা জমিতে পাট চাষে প্রায় ১৪ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।
পাট চাষীরা জানান, পাট চাষিদের প্রণোদনা দেয়া, সরকারি উদ্যোগে পাট ক্রয় কেন্দ্র খুলে প্রান্তিক চাষিদের কাছ থেকে নায্যমূল্যে পাট কেনা ও বিপননের ব্যবস্থা নিলে আবার পাট চাষিদের মুখে হাসি ফুটবে।