হাকিকুল ইসলাম খোকন, প্রতিনিধি আমেরিকা : জাতীয় সম্মিলিত ফোরাম জেএসএফ বাংলাদেশ এর সংগঠক হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন একবিবৃতিতে বলেছেন, বাংলাদেশের সংকট এখন কৃষক কার্ড বা ফ্যামিলি কার্ড নয়, বাংলাদেশের আসল সংকট হচ্ছে দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা।
গত সোমবার,২৬ জানুয়ারি ২০২৬ বিবৃতিতে হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন আরো বলেছেন, নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী নারী কর্মীদের ওপর হামলা, হেনস্তা, পাশাপাশি ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও সিসি ক্যামেরা স্থাপন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দায়সারা ভাব দেখে মনে হচ্ছে বিশেষ কোন দলের নির্দেশ ছাড়া কোন করতে চায় না নির্বাচন কমিশন।প্রায় ৫০ এর অধিক বিদেশের নাগরিকত্ব নিয়েছেন এমন ব্যক্তিদের নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন ।যা সংবিধানের লংঘন করা হয়েছে ।দূত বিদেশী নাগরিকত্বের প্রার্থী দের মনোনয়ন বাতিল করা হউক ।
বাংলাদেশের বড় সংকট হচ্ছে ঋণখেলাপি ও লুটেরাদের বিচারের আওতায় আনা। বাংলাদেশে যাতে বিনিয়োগ আসে, সে ধরনের পরিবেশ তৈরি করতে হবে। আমরা সে অনুযায়ী পরিকল্পনা ও ইশতেহার নিয়ে কথা বলছি। আমরা শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থান নিয়ে কথা বলছি, নারীদের নিরাপত্তা নিয়েও কথা বলছি।
“দেশের বিভিন্ন স্থানে, বিশেষ করে ঢাকা-১৫ আসনসহ বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় আমাদের নারী কর্মীরা প্রচারণায় নামলেই হামলার শিকার হচ্ছেন। তাদের অপদস্থ করা হচ্ছে এবং লজ্জাজনকভাবে নেকাব খুলতে বাধ্য করা হচ্ছে।”
“অনেক নারী কর্মীর মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। নারীদের রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ একটি ইতিবাচক দিক হলেও একটি নির্দিষ্ট দলের পক্ষ থেকে যে আচরণ করা হচ্ছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।”
জাতীয় সম্মিলিত ফোরাম জেএসএফ বাংলাদেশ বিবৃতিতে বলেছে , আমরা আবারও মিডিয়াকে দলীয়করণের পথে যেতে দেখছি। উপরে উপরে সব প্রতিষ্ঠানকে একদিকে হেলে পড়তে দেখা যাচ্ছে। সবাইকে মনে করিয়ে দিতে চাই, ৫ আগস্টের আগে এ দেশের অনেক মিডিয়া দালালি করলেও ফ্যাসিবাদকে রক্ষা করতে পারেনি। এ দেশের জনগণ রক্ত দিয়ে ফ্যাসিবাদমুক্ত করেছে।
প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একপাক্ষিক আচরণ নিয়েও নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রতিকার চাওয়া হয়েছে কিন্তু নির্বাচন কমিশন এখনো দৃশ্যমান কিছু করে নাই
জেএসএফ বাংলাদেশ বিবৃতিতে আরো বলেছে , শহীদ আবরার ফাহাদ আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। সে নিজেই বিদ্রোহী ও একটা বিপ্লবের নাম। সে আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে কলম ধরেছিল। এটাই তার অপরাধ। এ জন্য তাকে দুনিয়া থেকে অত্যন্ত নির্মমভাবে বিদায় করা হয়েছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে, যেখানে মেধাবীদের মিলনমেলা।
এক আবরারকে বিদায় করেছে, এক আবু সাঈদকে বিদায় করেছে, কিন্তু মনে রাখবা, একেকটা বিপ্লবী হাজার নয়, লক্ষ নয়, কোটি বিপ্লবী দুনিয়ায় জন্ম দিয়ে তারা বিদায় নিয়েছে। ওই মায়েদের পক্ষে কথা বলতে দাঁড়িয়েছি, যে মা তার সন্তান হারিয়েছে। এই মায়েদের দুয়ারে আমি হাজির হয়েছি। মায়েদের চোখেমুখে আমি পানি দেখিনি; তাদের চোখের কোনায় রক্ত দেখেছি।