শামীম আখতার (নিজস্ব প্রতিবেদক)ঃ মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের স্মৃতিবিজড়িত জন্মস্থান সাগরদাঁড়ী পরিদর্শন করলেন বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সিনিয়র সচিব) এম এ আকমল হোসেন আজাদ। তিনি গত শুক্রবার (৮ আগষ্ট) বিকেলে সরকারি সফর হিসেবে সাগরদাঁড়ীর মধুপল্লীতে আগমনের সাথে সাথেই উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেকসোনা খাতুন।
পরে তিনি মাইকেল মধুসূদন দত্তের শৈশবের স্মৃতি বিজড়িত (মধুপল্লী) পৈত্রিক বাড়ি, দেবালয়, মধুসূদন জাদুঘর ও কপোতাক্ষ নদ পাড় ঘুরে-ঘুরে দেখেন। এখানকার নান্দনিক সৌন্দর্য, পরিস্কার পরিছন্নতা ও মনোমুগ্ধকর পরিবেশ দেখে তিনি মুগ্ধ হন। এছাড়াও মহাকবির ব্যবহৃত আসবাপত্র দেখে খুশি প্রকাশ করার পাশাপাশি মধুপল্লীর সার্বিক কার্যক্রম দেখে তিনি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
পরিদর্শনকালে সাংবাদিকরা মধুপল্লীর ভেতরে থাকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ের কথা বললে সিনিয়র সচিব বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি মধুপল্লীর বাহিরে নিয়ে গেলে কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীরা বাহিরের খোলা মনোরম পরিবেশে শিক্ষা লাভ করতে পারবে এবং মধুপল্লীর নিজস্ব পরিবেশ ও স্বকীয়তা বজায় থাকবে। সেটা উভয়ের জন্য ভালো। তবে বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উর্ধতন কর্মকর্তাদের সাথে আমি কথা বলবো।
পরিদর্শনকালে সিনিয়র সচিব এর সফর সঙ্গী হিসেবে ছিলেন, পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সিনিয়র সহকারী প্রধান বেগম মেহের নিগার, মো: পারভেজ মল্লিক।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শরীফ নেওয়াজ, সাগরদাঁড়ী মধুপল্লীর কাস্টোডিয়ান হাসানুজ্জামান, ন্যাশনাল প্রেস সোসাইটি, গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংস্থা কেশবপুর উপজেলা শাখার সভাপতি শামীম আখতার মুকুল, আলোকচিত্রী শিল্পী মুফতি তাহেরুজ্জামান তাছু, সাগরদাঁড়ী প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম মুর্শিদী, সাংবাদিক আব্দুল করিম, শাহিনুর রহমান প্রমূখ।