শার্শার গোগায় ব্যবসায়িকে মারধর যা মধ্যেযুগীয় বর্বরতাকে হারা মানায়

নিজেস্ব প্রতিনিধি : মধ্যেযুগীয় বর্বরতাকেও হার মানায় শার্শার গোগা গ্রামের এক প্রবাসীর অত্যাচার নির্যাতন। গোগা গ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ি কামাল হোসেন এর কাছে চাঁদা ও বিপুল পরিমান রড সিমেন্ট বাকি না পেয়ে তাকে তার দোকানের মধ্যে পিটিয়ে আহত করে। দোকানের মধ্যে তার মৃত্যু হয়েছে ভেবে ফেলে রেখে যায় ওই সন্ত্রাসী গ্রুপ। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে নাভারন হাসপাতালে ভর্তি করে।

সুত্রমতে ও সিসিটিভির ফুটে অনুযায়ী জানা যায়  ২৫মার্চ শার্শার গোগা বাজারের ব্যবসায়ি  মোমরেজ এর ছেলে কামাল এর কাছে প্রথমে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আমেরিকা  প্রবাসী হযরত এর নেতৃত্বে চাঁদা দাবি করে ওবাইদুর, ইউনুচ ইব্রাহীম মনিরুল দেলোয়ার ও মনু।

কামাল হোসেন জানায় তাদের চাহিদা মোতাবেক চাঁদা দিতে অস্বীকার এবং বাকিতে ৩ হাজার বস্তা সিমেন্ট ও ৪০০ মন রড। এ পণ্য বাকিতে দিতে পারবে না বললে তার দোকানের চেয়ার টেবিল সহ অন্যান্য মালামাল ভাংচুর করে ও তাকে মারধর করে। এরপর গত২৬ মার্চ সে দোকানে গেলে তাকে আবারও বেধড়ক মারপিট করে যা সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যাচ্ছে। এক পর্যায়ে কামালকে মৃত্যূ ভেবে ফেলে রেখে তারা চলে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নাভারন হাসপাতালে ভর্তি করায়। এরপর কামালের পিতাকেও ওই সন্ত্রাসীরা মারধর করে। পিতা পুত্র দুজনে এখন নাভারন হাসপাতালে ভর্তি আছে।

স্থানীয়রা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কামাল হোসেন একজন বাজারের বড় ব্যবসায়ি। সে বিএনপির একজন কর্মী। এর আগে সে দলের গোগা ইউনিয়ন যুবদলের সাধারন সম্পাদক এর প্রার্থী ছিল। কমিটি গঠন না হওয়ায় সে বিএনপির একজন দলীয় কর্মী হিসাবে কাজ করছে । হযরত এর সাথে তার পুর্ব শত্রুতা থাকায় হযরত আমেরিকা থেকে দেশে এসে এরকম ঘটনা ঘটিয়েছে।

সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায় হযরত এর বাহিনী প্রথমে কামাল এর ঘাড়ে লাঠি দিয়ে মারপিট করে মাটিতে ফেলে দেয়। এরপর আরো একজন এসে তাকে ওই অবস্থায় লাঠি দিয়ে  আঘাত করে। অজ্ঞান অবস্থায় তাকে আরো একজন মৃত্যূ নিশ্চিত ভেবে লাথি মেরে দেখে পালিয়ে যায়। এরপর তাকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা।

এ বিষয় কোন মামলা হয়েছে কি না জানতে চাইলে কামাল হোসেন বলেন, আমি হাসপাতালে আমার পিতা ও হাসপাতালে আমরা আইনের আশ্রয় নিব। আমাদের জীবনের নিরাপদ কোথায়। দিনে দুপুরে মধ্যেযুগীয় বর্বরদের মত আমাদের মারপিট করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *