শামীম আখতার (নিজস্ব প্রতিবেদক): যশোরের কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট আইনজীবী বদরুজ্জামান মিন্টুর নামাজে জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে জোহর নামাজ বাদ উপজেলা পাবলিক ময়দানে মরহুমের নামাজে জানাজা শেষে কেশবপুর পৌর শহরের বালিয়াডাঙ্গায় পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। মরহুমের জানাজা নামাজে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের মানুষের ঢল নামে। তিনি গত শনিবার (২১ নভেম্বর) রাতে ভারতের মেডেন্টা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর।
মরহুমের জানাজা নামাজে অংশগ্রহণ করে শোক ও সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য রাখেন বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) আলহাজ্ব অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, কেন্দ্রীয় বিএনপির কমিটির সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক অমলেন্দু দাস অপু, কেন্দ্রীয় বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হোসেন আজাদ, সদস্য, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, যশোর-৬ কেশবপুর আসনে ধানের শীষের প্রার্থী কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, যশোর নগর বিএনপির সাবেক সভাপতি মারুফুল ইসলাম, কেশবপুর পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র আব্দুস সামাদ বিশ্বাস, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক মোক্তার আলী, মনিরামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহীদ ইকবাল হোসেন, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর মশিয়ার রহমান, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ও সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রভাষক আলাউদ্দিন আলা, যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির প্রতিনিধি অ্যাডভোকেট আব্দুল গফুর, ওজিয়ার রহমান প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, প্রয়াত অ্যাডভোকেট মিন্টু ছিলেন স্পষ্টবাদী, সদালাপী ও হাস্যেজ্জ্বল একজন মানুষ। তার রাজনৈতিক সংগঠনের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তিনি সবসময় সততা, ন্যায়-নীতি ও আদর্শের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার রাজনৈতিক অবদান ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় তার ভূমিকার কথাগুলো গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন বক্তারা।
অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন প্রয়াত মিন্টুর ভাইপো সাজ্জাদুল কবীর মিল্টন এবং অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রয়াতের সহোদর উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মাসুদুজ্জামান মাসুদ।
মরহুম এর জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হওয়ার আগে রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রয়াত মিন্টুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন কেন্দ্রীয় বিএনপির পক্ষে সহসভাপতি অধ্যাপিকা নার্গিস বেগম, কেশবপুর উপজেলা ও পৌর বিএনপি, মনিরামপুর উপজেলা বিএনপি, জেলা আইনজীবী সমিতি, কেশবপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদ, কেশবপুর পূজা উদযাপন পরিষদ, পূজা উদযাপন ফ্রন্ট, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট, কেশবপুর প্রেসক্লাব, উপজেলা প্রেসক্লাব, থানা প্রেসক্লাব, রাবিয়ান কেশবপুর, উপজেলা কৃষক দল, শ্রমিক দল, স্বেচ্ছাসেবক দল, বন্ধু মহল, উদিচি শিল্পগোষ্ঠী, নয়ন ফার্মেসী, নাগরিক সমাজের নেতৃবৃন্দ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এছাড়াও মরহুম এর জানাজা নামাজে অংশ গ্রহণ করেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ শরীফ নেওয়াজ, যশোর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, বিএনপি নেতা মফিকুল ইসলাম তৃপ্তি, গোলাম রেজা দুলু, মিজানুর রহমান খান, মনির আহমেদ সিদ্দিকী বাচ্চু, খাইরুজ্জামান মধু, কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক আব্দুর রাজ্জাক, সহসভাপতি ও মজিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হুমায়ূন কবির পলাশ, সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ূন কবির সুমন, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ শহীদুল ইসলাম শহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান চৌধুরী, আব্দুল হালিম অটল, ত্রিমোহিনী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আকরাম হোসেন, সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আকরাম খান, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, মজিদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হোসেন, বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাস্টার কেএম খলিলুর রহমান, পাজিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাস্টার মকবুল হোসেন মুকুল, সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি গোলাম মোস্তফা বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হোসেন, হাসানপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলমগীর হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সামছুল আলম বুলবুল, সদস্য সচিব বাবুল রানা বাবু, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা, সদস্য সচিব মেহেদী বিশ্বাস, উপজেলা যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর কবির মিন্টু, আব্দুল গফুর, উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম, সদস্য সচিব কেএম আজিজুর রহমান আজিজ, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আজিজুর রহমান আজিজ, সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান, পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক খায়রুল ইসলাম, সদস্য সচিব মনিরুল ইসলাম, সরকারি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক রাহাদুল ইসলাম সুজন, সদস্য সচিব ফরহাদ হোসেনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক, সাংবাদিক, পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং নানা শ্রেণী-পেশার ব্যক্তিবর্গবৃন্দ।