সাইফুল্লাহ নাসির, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি: সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নাগালে বরগুনার আমতলীর খুড়িয়ার খেয়াঘাট নামক স্হানে চলছে রমরমা চিকিৎসা বানিজ্য। ঐ কথিত চিকিৎসক প্রাইভেট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ডিপ্লোমা ধারী রফিকুল ইসলামের অবৈধ ক্লিনিকের নাম সিকদার ডেন্টাল ক্লিনিক।
অবৈধ চিকিৎসা কার্যক্রম নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এ বিষয়ে নেই কোন পদক্ষেপ। আগেও নিউজ প্রকাশের পর প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছিল। সেই তালা খুলতে বাধ্য হয়েছেন রফিকুলের দাপুটে। এখনো অবৈধ চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করছে কিনা সে বিষয়ে সাংবাদিক তথ্য নিতে গেল ভুয়া চিকিৎসক রফিকুল পালিয়ে যায়। কিন্তু তার অবৈধ চিকিৎসা বানিজ্য পরিচালনায় নিয়োজিত সিন্ডিকেট সদস্যর সুকৌশলে সাংবাদিকের সাথে আলাপচারিতার সময়ে চাঁদাবাজ হিসেবে ভিডিও প্রকাশ করে। যা নিয়ে চলছে সাংবাদিকদের অসন্তোষ।
সীলগালা খুলে অবৈধ চিকিৎসা বানিজ্যের বিষয়ে সরেজমিনে খোঁজ নিতে গেলে তখন পালিয়ে যাওয়া রফিকুলের মদদপুষ্টরা বলেন, এটাকে আগেও মোবাইল কোর্ট সীলগালা করেছিল আবার তালা খুলতেও বাধ্য হয়েছে। এছাড়াও পুরো সাংবাদিকদের সম্পর্কে মন্তব্য করা হয় নোংরামির চরম ভাষায়। যা ছিল সাংবাদিকরা লিখলে কোন বাল হয়। ঐ এলাকার বিশিষ্ট ব্যাক্তি একই ইউনিয়নের বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক স্পষ্ট বলেন সাংবাদিক কোন চাঁদা চায়নি, বরং বলেছে দুই লাখ,পাঁচ লাখ কেন কোন কিছুতে ম্যানেজ করা যাবেনা। যখন ম্যানেজ করা যাবেনা বিষয়টি বুঝতে পেরে রফিকুলের পালিতরা আলাপচারিতার সময়ে চাঁদাবাজের ভিডিও বানায়।
চিকিৎসার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে অবৈধ বানিজ্য করা আইনসিদ্ধ কিনা। এবং প্রাইভেট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ডিপ্লোমা পাশ করে রফিকুল ইসলাম ক্লিনিক খুলে চিকিৎসা করতে পারবে কিনা এ বিষয়ে বরগুনার সিভিল সার্জন ডাক্তার মোহাম্মদ আবুল ফাতাহার কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, বরগুনা জেলায় এ পর্যন্ত এ ধরনের চুয়াল্লিশটি ক্লিনিককে সীলগালা করা হয়েছে। এ রকমের অবৈধ চিকিৎসা কার্যক্রম সম্পর্কে সাংবাদিকরা তথ্য দিলে সেগুলোর বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যাবস্হা নেওয়া হবে। সেইসাথে খুড়িয়ার খেয়াঘাটের ঐ সিকদার ডেন্টাল ক্লিনিকের চিকিৎসক পরিচয়ে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়েও তিনি আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিধিগত দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।