নিজেস্ব প্রতিবেদন :- ১৭৫৭ সালে বীর দেশপ্রেমী নবাব সিরাজউদ্দৌলা ও বাংলার বিশ্বাসঘাতক চক্রের মধ্যে সংঘটিত পলাশীর যুদ্ধ বা বাংলার দুশমন বর্গীদের বিরুদ্ধে বীর নবাব আলীবর্দী খানের যুদ্ধ আমরা কেউই দেখিনি, কিন্তু দেশপ্রেমী নবাবের সেই আত্মত্যাগের চেতনায় আমরা বেড়ে উঠেছি।
নবাব সিরাজউদ্দৌলা প্রজন্ম আব্বাসউদ্দৌলা বলেন, ১৯৭১ ও ২০২৪ সালের মুক্তিযুদ্ধের লড়াই—সেটা আমার দাদাজান, দাদিজান,আব্বাজান,আম্মাজান ও আমি দেখেছি হৃদয়ের গভীরতায়, অনুভব করেছি, সহযোগিতা করেছি, সমর্থন করেছি, মাঠে ছিল আমার প্রিয় পরিবারের অনেকেই তাদের মধ্যে অন্যতম আমার শহীদ আব্বাজান ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ গোলাম মোস্তফা, বাংলার এই বীর সন্তান ২০২৪ সালের অন্যতম সাহসী মুক্তিযোদ্ধা।
ঢাকার রাওয়া ক্লাবে অনুষ্ঠিত ( ১৬ আগস্ট ২০২৫ ) এই অনুষ্ঠান ১৭৫৭, ১৯৭১ এবং ২০২৪-এর বাংলার ঐতিহ্যবাহী নবাব সিরাজউদ্দৌলা পরিবারের সম্মিলিত শক্তিকে তুলে ধরার এক ক্ষুদ্র প্রয়াস।
বাংলার যুবরাজ নতুন প্রজন্মের সিরাজউদ্দৌলা সৈয়দ গোলাম আব্বাস আরেব ওরফে নবাবজাদা আলি আব্বাসউদ্দৌলা বলেন, আমাদের বিশ্বাস, নতুন বাংলাদেশ মানে ইতিহাসকে সম্মান করে ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাবে।
আজকে আমার এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সেই সম্মিলিত শক্তির গল্প।
নবাব সিরাজউদ্দৌলা প্রজন্ম আব্বাসউদ্দৌলা আরও বলেন, বাংলার সব শহীদের আত্মত্যাগ আমাদের কাছে সমান।
যদি আপনি বিশ্বাস করেন, বাংলাদেশ মানে সকল বীরদের ইতিহাস তাহলে আজ আগামী ও ভবিষ্যৎ -এ একসাথে ধারণ করি সূর্য সন্তানদের সততা ও দেশপ্রেম—
বিনীত অনুরোধ, জনে জনে ছড়িয়ে দিন আমার এই দেশপ্রেমী বাণী। দিন শেষে, আমরা যেন শুধু দেশের প্রকৃত ইতিহাস ঐতিহ্য সংস্কৃতি ও বাংলার পক্ষে থাকি।
এইটুকুই চাওয়া।
ধন্যবাদ উক্ত অনুষ্ঠানের আয়োজক ২০২৪ সালের অন্যতম মুক্তিযোদ্ধা ডক্টর মুহাম্মদ তারিক চৌধুরী। ধন্যবাদ মেজর (অব.) ফারুক, মেজর (অব.) হারুন, মেজর (অব.) হাবিব মেজর (অব.) সারোয়ার, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রাক্তন পাইলট জনাব মাসুদ, ইঞ্জিনিয়ার আমজাদ হোসেন, শিল্পপতি জনাব রাজু, সেনা কর্মকর্তা জাবেদ হোসেন, আন্তর্জাতিক খ্যাতি প্রাপ্ত সাংবাদিক ফারহানা নীলা, সাংবাদিক আশফাক আহমেদ সহ সবাইকে।