মো: আনিছুর রহমান, বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: বেনাপোলে অনুভূত হচ্ছে হাড়কাঁপানো শীত। দেশের দক্ষিন পশ্চিম সীমান্ত বেনাপোলে বইছে মৌসুমের প্রথম শৈত্যপ্রবাহ, যা বিস্তৃত হয়ে থাকতে পারে আরো দুই-তিন দিন। কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে সীমান্ত এলাকা। এতে করে দেশের এই সর্ববৃহৎ স্থল বন্দরের পণ্য উঠানামা কাজে নিয়োজিত শ্রমিকদের ও কষ্ট হচ্ছে।
বেনাপোল চেকপোষ্ট কার্গোভেহিকেল গেটে দেখা গেছে আগের তুলনায় ভারত থেকে আসা পণ্যবাহী আমদানিকৃত গাড়ি কম বের হচ্ছে। বিষয়টি গেটে কর্তৃব্যরত নিরাপত্তা কর্মীদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমদানি আগের মতই আছে। তবে বিকালের দিকে গাড়ি একটু কম প্রবেশ করছে। তবে ভিতরের গেটে কি অবস্থা বলতে পারছি না।
ভারতীয় ড্রাইভার অমিত চন্দ্র পাল বলেন, অন্যদিনের তুলনায় গত দুই দিন এ বন্দরে পণ্যবাহী ট্রাক ভারত থেকে কিছু কম এসেছে। প্রচন্ড শীত ও শৈত্য প্রবাহ দেখা দেওয়ার জন্য এমন হতে পারে।
প্রচন্ড শীতের জন্য বেনাপোল লিংক রোডের সড়কে দেখা গেছে আগের তুলনায় লোকজন এর চলাফেরা অনেক কম। এখানে প্রতিদিন দুর দুরান্ত থেকে আসা পর্যটকদের ভীড় হত। এখন সেখানে ফাকা। শুধু মাত্র আমদানি রফতানির সাথে যারা যুক্ত তাদের এখানে দেখা যাচ্ছে তাও পুর্বের তুলনায় অনেক কম।
বেনাপোল স্থল বন্দরের শ্রমিকরা জানায় প্রচন্ড শীত উপেক্ষা করে তারা কাজ করছে। এতে তাদের একটু কষ্ট হলেও দেশের স্বার্থে কাজ করতে হচ্ছে। শীতের জন্য পণ্য উঠা নামায় কোন অসুবিধা হচ্ছে না।
বেনাপোল হ্যান্ডলিংক শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫ এর সাধারন সম্পাদক সহিদ আলী বলেন, প্রচন্ড শীতে শ্রমীকরা কাজ করছে। তবে এসব শ্রমিকদের শীত বস্ত্র ও অন্যান্য আর্থিক সহযোগিতা করলে তারা উৎসাহ পেত। আমরা সরকারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি দেশের বৃহৎ স্থল বন্দর বেনাপোলের হ্যান্ডলিং শ্রমিকদের মানবিক কারনে সহযোগিতার হাতা বাড়ানোর জন্য।
আবহাওয়া অধিদপ্তর সুত্র জানিয়েছে দণি-পশ্চিমাঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ ছড়িয়ে পড়েছে। কয়েকদিন হাড়কাঁপানো শীত চলতে পারে। এবারের শীত অন্য বছরের তুলনায় বেশি হতে পারে। এদিকে দেশের বেশিরভাগ এলাকায় শুরু হয়নি শীতবস্ত্র বিতরণ। তীব্র শীতে কষ্ট পাচ্ছেন গরিব মানুষ। খেটে খাওয়া মানুষরা দুর্ভোগে পড়েছেন বেশি।