বেনাপোল চেকপোষ্টে চরম হয়রানি করছে সুপার জাহাঙ্গীর আলম

সেলিমুজ্জামান সোহাগ, বেনাপোল: বেনাপোল চেকপোষ্ট কাস্টমস সুপার জাহাঙ্গীর ল্যাগেজ সুবিধা না মেনে পাসপোর্টযাত্রীদের হয়রানি করায় এ পথে যাত্রী যাতায়াত হৃাস পেয়েছে। সুপার জাহাঙ্গীর প্রায় সাড়ে তিন বছর বেনাপোল চেকপোষ্টে একই জায়গায় কর্মরত আছে। ইতি পুর্বে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় ঘুষ দুর্নীতি স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠায় সে পাসপোর্ট যাত্রীদের হয়ারানির মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।

ল্যাগেজ ব্যবসা এবং স্পট ট্যাক্স এর আইন থাকলেও সে কোন কিছুর তোয়াক্কা না করে সাধারন পাসপোর্ট যাত্রীদের ভারত থেকে আসার সময় সামান্য কিছু পণ্য ও রেখে দিচ্ছে। সকল যাত্রীদের নিকট থেকে তার ক্ষমতাবলে সখের পণ্য রেখে দেওয়ায় যাত্রী যাতায়াত হ্রাস পাওয়ায় সরকারের রাজস্ব ও কমে যাচ্ছে।

স্থানীয়রা জানায় ভারত এমনিতে ভিসা দিচ্ছে না। তারপর উভয় দেশের যাত্রীদের সাথে জাহাঙ্গীর সাহেবের অসৌজন্যমুলক আচারনে এই আন্তর্জাতিক চেকপোষ্ট দিয়ে যাত্রী যায়াতাত ৯০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। সুত্র জানায় জাহাঙ্গীর সাবেক ছাত্রলীগের ক্যাডার হিসাবে চাকুরীতে এসেছে। সে বিগত আওয়ামী সরকারের সময় এখানে যাত্রীদের সাথে খারাপ আচারন করে নাই। বরং তখন এ পথে যাত্রী যাতায়াত বেড়ে যায়। বিগত ৫ ই আগষ্ট এর পর থেকে সে বেপরোয়া হয়ে উঠে যাত্রী হয়রানিতে।

ভারত থেকে ফেরত যাত্রী সুজয় বলেন, আমার কাছে থাকা একটি মাত্র কম্বল এই জাহাঙ্গীর সাহেব নিয়ে নিয়েছে। আমি ডাক্তা দেখিয়ে আসার সময় বাড়ির জন্য একটি কম্বল ক্রয় করে আনি। কিন্তু বেনাপোল চেকপোষ্ট আসলে সে আমার কম্বলটি রেখে দেয়।

চেকপোষ্ট কাস্টমসে এনজিও হিসাবে কাজ করা জনৈক এক ব্যাক্তি বলেন, আমাদের কাস্টমস এর দোতলার বারান্দা বাথরুম সুপার এর অফিস রুম গেষ্ট রুম সহ যেখানে সেখানে পড়ে রয়েছে। কোটি কোটি টাকার পণ্য নষ্ট হলেও তা নিলামেও বিক্রি করাচ্ছে না। এ ভাবে চলতে থাকলে ভারত ও ভিসা দিবে না। ভারতীয় পাসপোর্ট যাত্রী দিপংকর সাহা বলেন, বাংলাদেশে আসার মত নেই। আত্নীয় স্বজনদের বাড়িতে আসলে যদি কিছু নিয়ে আসি তা বেনাপোল কাস্টমস রেখে দেয়। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন এতটা খারাপ আচারন করেন তা সত্যি মেনে নেওয়া যায় না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *