বেনাপোল পৌরসভা এলাকা ময়লার ভাগাড়ে পরিনত হয়েছে

মো: আনিছুর রহমান, বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: বেনাপোল পৌরসভা এলাকায় ময়লা-আবর্জনার স্তূপ একটি বড় সমস্যা, বিশেষ করে বাজার, মহাসড়কের পাশে আবর্জনা জমে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে, যা ডেঙ্গুর ঝুঁকি বাড়াচ্ছে ও জনজীবনে ভোগান্তি তৈরি করছে; পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা কাজ করলেও বিভিন্ন স্থানে আবর্জনা পড়ে থাকছে এবং অনেক সময় ডাস্টবিন না থাকায় বা যত্রতত্র ফেলার কারণে এই অবস্থা হচ্ছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।

বেনাপোল পৌরসভা পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে পৌরসভার বিশেষ উদ্যেগ কাজে আসছে না। শহরবাসী যেখানে সেখানে যাত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ফেলছেন। ফলে অনেক জায়গা ময়লার ভাগাড়ে পরিনত হয়েছে। এতে দুর্গন্ধে পথচারিরা অতিষ্ট। এছাড়া প্রথম শ্রেণীর এই পৌরসভায় সড়কের পাশে কোন ডাস্টবিন ও দেখা যায় না।

বেনাপোল পৌর সভার স্যানিটারি ইন্সপেক্টও রাশিদা  বলেন, শহরবাসির সহোযোগিতা ছাড়া ময়লা আবর্জনামুক্ত শহর গড়া অসম্ভব। তবে অনেকে অভিযোগ করেছে শহরের অধিকাংশ জায়গায় ডাস্টবিন না থাকার কারনে ড্রেনের ওপর বা আশ পাশে ময়লা ফেলতে বাধ্য হচ্ছে। আমরা বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছি।

শহরঘুরে দেখা গেছে বেনাপোল বাজার থেকে চেকপোষ্ট পর্যন্ত মাত্র দুই কিলোমিটার সড়কে ফুটপাত দিয়ে হাটা যায় না। স্থল বন্দর সংলগ্ন ফুটপাতে ময়লা আবর্জনা সহ মানুষের মল মুত্র ও সয়লাব। রাস্তা দিয়ে নাক টিপে হাটে পথচারিরা। এলাকাবাসি নির্দিষ্ট ডাস্টবিন না থাকায় সড়কের পাশে ফুটপাতে এসব ময়লা আবর্জনা ফেলে। ফলে সেখানে ময়লার ভাগাড়ে পরিনত হয়েছে।

বেনাপোল স্থল বন্দরের ১ নং গেট থেকে আনছার ক্যাম্প পর্যন্ত পায়ে হেটে মানুষ চলাচলের সবচেয়ে বেশী অনুপোযোগি। এখানে এত পরিমান ময়লা আবর্জনা এবং মানুষের মলমুত্র পড়ে রয়েছে যে দুর্গন্ধে মানুষ কখনো কখনো বমি করে। আর ওই সব জায়গায় কুকুর বিড়াল ও গরু খাদ্যের সন্ধানে ঘোরাফেরা করে।

পৌর সভার নাগরিক জি এম আশরাফ বলেন আমরা পৌর কর দেই। পৌর কর নিয়ে যদি কর্তৃপক্ষ সঠিক কোন ব্যবস্থা না নেয় তাহলে মানুষ রোগ ব্যাধিতে মরবে। এখান থেকে মশা মাছির উপদ্রপ ও বেশী। মশা এতটা বেড়ে গেছে যে এইখান থেকে ডেঙ্গু রোগ ছড়ানোর আশঙ্কা করেন তিনি।

পৌরসচিবকে কয়েকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন ধরেন নাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *