চৈতী প্রতিবেদকঃ দেশের বিভিন্ন জায়গায় অরাজনৈতিক আন্দোলনহেযবুত তওহীদের উদ্যোগে এ বছর ঈদের জামাতঅনুষ্ঠিত হয়েছে। জামাতগুলোর বিশেষত্ব ছিল নারীমুসল্লিদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ। ঈদের জামাতেনারীদের এই অংশগ্রহণকে ইতিবাচক বলেই মনেকরছেন মুসল্লিরা। বিশেষ করে নারী মুসল্লিদেরকে এব্যাপারে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা যায়।
সোমবার ঢাকার উত্তরায় হেযবুত তওহীদেরসহস্রাধিক নেতা–কর্মীর অংশগ্রহণের ঈদের জামাতঅনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের ঢাকা বিভাগীয় সভাপতিডাক্তার মো. মাহবুব আলম মাহফুজের নেতৃত্বেঅনুষ্ঠিত এই জামাতে বিপুল নারী মুসল্লির উপস্থিতিলক্ষ করা যায়।
একই দৃশ্য দেখা যায় নোয়াখালীর সোনাইমুড়িউপজেলার চাষিরহাট নূরুল হক উচ্চ বিদ্যালয়েরমাঠে অনুষ্ঠিত জামাতে। সেখানে জামাতের নেতৃত্বদেন হেযবুত তওহীদের সর্বোচ্চ নেতা ইমাম হোসাইনমোহাম্মদ সেলিম। কয়েক হাজার মুসল্লিরঅংশগ্রহণে এসময় ঈদগাহ মাঠ ভরে উঠে।মুসল্লিদের মধ্যে ৫ শতাধিক ছিলেন নারী। তাদেরজন্য এখানে আলাদা প্যান্ডেলের ব্যবস্থা করা হয়।তাছাড়া ঈদগাহে প্রবেশ ও প্রস্থানের জন্য নারী ওপুরুষের জন্য ছিল আলাদা গেট।
একই দিনে মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, বরিশাল, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, সিলেট, হবিগঞ্জ সহ দেশেরবড় বড় জেলা শহরগুলোতে ঈদের জামাতেরআয়োজন করে হেযবুত তওহীদ। প্রতিটি জামাতেইনারীদের অংশগ্রহণ ছিল।
এ ব্যাপারে ঢাকা বিভাগ হেযবুত তওহীদের সভাপতিডাক্তার মাহবুব আলম মাহফুজ বলেন, রাসুলুল্লাহ(স.) নারীদেরকে ঈদের জামাতে অংশ নিতেউৎসাহিত করেছেন। ওই সময় নারীরা ঈদ, জুমা, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সহ মসজিদকেন্দ্রিক প্রতিটিকাজে অংশ নিতেন। কিন্তু বর্তমানে ঈদের নামাজ বাজুমার নামাজে নারীদের অংশ নেয়াকে নিরুৎসাহিতকরা হয়। বলা যায়, মসজিদ, ঈদগাহ ইত্যাদি ধর্মীয়প্রতিষ্ঠান ও নারীদের মাঝখানে একটা অদৃশ্যদেয়াল তুলে রাখা হয়েছে। হেযবুত তওহীদ দেয়ালটিভাঙার চেষ্টা করছে।
সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয়গণ্যমান্য ব্যক্তিরা এসব জামাতে উপস্থিত ছিলেন।জামাতপূর্বক বাংলা খুতবায় মুসলিম বিশ্বের বর্তমানদুর্দশার চিত্র তুলে ধরা হয় এবং এই অবস্থা থেকেউত্তরণে মুসলিম জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বানজানানো হয়। মোনাজাতে মুসলিম বিশ্বের ঐক্য, সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন ইমামগণ।