জুলাই ঘৃণা স্তম্ভ উদ্বোধন ও ঘৃণা প্রদর্শন

হালিমা খাতুন সদস্য, মিডিয়া সেল:  জুলাইর মাধ্যমে মার্কিনী দাসত্ব চুক্তি, মুক্তিযোদ্ধাদেরকে অপমান, আইন-শৃঙ্খলার অবনতি, যুদ্ধাপরাধী ও তাদেরকে সমর্থকগোষ্ঠীকে পূর্নবাসন, হামের টিকা সংকট তৈরি করে শিশুহত্যাসহ সহস্রাধিক অন্যায়-অপরাধ-দুর্নীতির প্রতিবাদে ‘প্রতীকী জুলাই ঘৃণা স্তম্ভ উদ্বোধন ও ঘৃণা প্রদর্শন’ করেছেন নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির নেতৃবৃন্দ। ১ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে ৫ টায় ২৭/৭ তোপখানা রোডস্থ কার্যালয়ের অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন নতুনধারার চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, যে জুলাইর কারণে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামী এটিএম আজহারের মত মানুষ এমপি হয়েছে, যে জুলাই যুদ্ধাপরাধী-জামায়াত ইসলামকে পুনর্বাসিত করেছে, যে জুলাই ধর্ষণ-খুন-ছিনতাই-চুরি-ডাকাতি বাড়িয়েছে, সেই জুলাইকে ঘৃণা জানানো পুরো জাতির নৈতিক দায়িত্ব। নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবি এই দায়িত্ব পালন করেছে ছাত্র-যুব-জনতার রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বকারী দল হিসেবে।

কর্মসূচিতে নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির প্রেসিডিয়াম মেম্বার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, যুগ্ম মহাসচিব মনির জামান, সদস্য জামান সরদার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। নতুনধারার সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা বলেন, ৩৬ জুলাই’র বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের রেজাল্ট হিসেবে আজ জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় স্বাধীনতা বিরোধী জোটের ৭৪ এমপি সংসদে গেছে ঠিকই কিন্তু মার্কিন চুক্তি বাতিলের দাবিতে কোনো কথা বলছে না। আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যে দেশ বিরোধী মার্কিনী চুক্তি বাতিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত না নিলে সংসদ ঘেরাওসহ লাগাতার কর্মসূচি ঘোষণা করবে নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবি। এসময় নেতৃবৃন্দ বলেন, বাণিজ্য চুক্তির প্রতিটি ধারা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর।

এসময় নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, যে জুলাইর কারণে মার্কিনী দাসত্ব গ্রহণ করার চুক্তি হয়েছে, ছাত্র সমাজ পথ হারিয়েছে, মা- বোনেরা অনিরাপদ হয়েছে, ধর্মান্ধদের সংখ্যা বেড়েছে, ধর্মীয় সাইনবোর্ড ব্যবহারের মধ্য দিয়ে অধর্মকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়া হয়েছে, সেই জুলাইকে ‘না’ বলা আপনার আমার আমাদের ব্যক্তিগত, নৈতিক-সামাজিক ও রাষ্ট্রিয় দায়িত্ব। আসুন জুলাইকে ‘না’ বলি; জুলাইকে ব্যবহার করে রাতারাতি যারা কোটি কোটি টাকা ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে পাচার করেছে, উপদেষ্টা হয়েছে, এমপি হয়েছে, রাজনৈতিক দল করেছে, তাদেরকে বয়কট করি-প্রতিহত করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *