দেলদুয়ার প্রতিবেদক: আগামী ১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে ঘিরে সারাদেশের মতো টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারেও দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন আটিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র আহ্বায়ক মো. লিয়াকত হোসেন (লেকু)—যিনি দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে মামলা, গ্রেপ্তার ও কারাভোগের মধ্যেও দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন বলে নেতাকর্মীরা জানান।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, মো. লিয়াকত হোসেন লেকুর বিরুদ্ধে দেলদুয়ার জিআর মামলা নং-১৮৯/১৮ রয়েছে। ওই মামলায় তিনি ৫৯ দিন কারাভোগ করেন। তার অভিযোগ, তৎকালীন সরকারের সময়ে রাজনৈতিক কারণে তাকে পুলিশি হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীদের দাবি, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে লিয়াকত হোসেন লেকু ছিলেন দলের অন্যতম নির্যাতিত ও ত্যাগী নেতাদের একজন। রাজনৈতিক কারণে মামলা ও কারাভোগ করেও তিনি দলীয় আদর্শ থেকে সরে যাননি এবং নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলীয় নেতাকর্মীরা যখন দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন ও দলের দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাস স্মরণ করছেন, তখন লিয়াকত হোসেন লেকুর মতো মাঠপর্যায়ের নেতাদের ত্যাগ ও ভূমিকার কথাও উঠে আসছে।
নেতাকর্মীরা বলেন, “মামলা-হামলা ও কারাভোগের ভয় দেখিয়ে লিয়াকত হোসেন লেকুকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখা যায়নি। কঠিন সময়ে তিনি দলের নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন।”
লিয়াকত হোসেন লেকু বলেন, “রাজনীতি করতে গিয়ে মামলা, হামলা ও কারাভোগ আমাকে দমাতে পারেনি। বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনে দলের আদর্শ ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করে যেতে চাই।”
১ সেপ্টেম্বর বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।