মাগুরা সরকারি কলেজের অধ্যাপকের প্রত্যাহারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

খন্দকার নজরুল ইসলাম মিলন মাগুরা  প্রতিনিধি : মাগুরা সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের অর্থনীতি ডিপার্টমেন্টের সহযোগী অধ্যাপক দিদার আলী জোয়ার্দারে প্রত্যাহারের দাবিতে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ টায় মাগুরা প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মাগুরা সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের শিক্ষার্থী জামির আল হাসিব (মাস্টার্স), আরো উপস্থিত ছিলেন (৪র্থ বর্ষে) শিক্ষার্থী ওয়াসিম হাসান, তানভীর হাসান, মুসা ইব্রাহীম, আশিকুজ্জামান, সজন বিশ্বাস, শাহারুদ ইসলামসহ অন্যান্য শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।
এ সময় তারা বলেন, আপনারা জানেন গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর আমরা নতুন ১ টা বাংলাদেশ পেয়েছি। গণঅভ্যুত্থানের উত্তর পরবর্তী বাংলাদেশে বর্তমানে সব জায়গায় কমবেশি সংস্কারের ছোঁয়া দৃশ্যমান আছে, এরই ধারাবাহিকতায় আমরাও একটি সংস্কারের দাবি আপনাদের মাধ্যমে জানাতে চাই, গত (১১ সেপ্টেম্বর) আমাদের কলেজের অর্থনীতি ডিপার্টমেন্টের সহযোগী অধ্যাপক দিদার আলী জোয়ার্দার স্যারের বিরুদ্ধে কিছু সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে প্রত্যাহারের দাবি করে কলেজের মাননীয় অধ্যক্ষ স্যার বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেছি। নিম্নে অভিযোগের কিছু অংশ তুলে ধরা হলো। আমাদের বিভাগের শিক্ষক জনাব দিদার আলী জোয়ার্দারে (পরিচয় নাম্বার ০১২৬১২) ২০০৭ সালের অর্থনীতিবিভাগ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পূর্ব সময়কাল হতে অদ্যবধি পর্যন্ত কর্মরত আছেন। দীর্ঘ প্রায় ২ দশক অত্র বিভাগে থাকা এবং বিগত সরকারের রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তিনি ১ টি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন তিনি দীর্ঘদিন বিভিন্ন একাডেমির কর্মকান্ড ও বেপরোয়া আচরণে জড়িত তা সকলেই অবগত আছেন। যেটা ১ জন আদর্শ শিক্ষকের পেশাদারিত্বের বিপরীত। আরো ছাত্র-ছাত্রীদের পরীক্ষায় কম নাম্বারের ভয় দেখিয়ে তার কাছ থেকে পড়াতে বাধ্য করা, কলেজে চলাকালীন সময়ে কলেজে অবস্থান না করে নিজস্ব প্রাইভেট সেন্টারে প্রাইভেট পড়ানো, ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে খারাপ ব্যবহার করা, পিতা-মাতা তুলে গালিগালাজ করা, দাড়িওয়ালা ছেলে ও পর্দানশীল মেয়েদের জামাত, শিবির জঙ্গি ও ছাত্রদের ট্যাগ দেওয়া এবং নানা সময়ে উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন তার শাসনের নামে তিনি ভিন্নমতকে সবসময় দমিয়ে রাখেন, আমাদের অনার্স লাইফে আমরা দেখেছি মাগুরা সরকারি কলেজের অর্থ বিভাগে তিনি সবসময়ই একটি শ্বাসরুদ্ধ কর পরিস্থিতি তৈরি করে রাখেন যেন তার মতের বাইরে কেউ টু শব্দ করতে না পারে, তিনি রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন তিনি তার বদলি আটকে রেখেছেন এছাড়াও তার বিরুদ্ধে আরো বিভিন্ন অভিযোগ আছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *