মোহাম্মদ আককাস আলী, প্রতিনিধি মহাদেবপুর : নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার উত্তরগ্রাম ইউনিয়নের শিবরামপুর গ্রামের মৃত তমিজ উদ্দীনের হতদরিদ্র ছেলে মো.আনোয়ার হোসেন(৪৫) বাপ দাদার বসতভিটা না থাজায় এনায়েতপুর ইউনিয়নের বুজরকান্তপুর আবাসন প্রকল্পে বসবাসরত।
অভাবের সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে থাকলেও সড়ক দুর্ঘটনায় তার পা ভেঙ্গে যায়। অন্ধকার নেমে আসে তার সংসারে। পেটের ক্ষুধা মেটাবে না চিকিৎসা করবে? যন্ত্রণায় কাতরত আনোয়ার চোখে অন্ধকার দেখে। অবশেষে এলাকার হাতুড়ে হাড়জোড় ডাক্তারের চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত হন। ওই হাতুড়ে ডাক্তার টাকা নিলেও ভালো হয়নি তার পা। ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় তার এক পা কেটে ফেলা হলো। পঙ্গুত্ব জীবন এখন তাকে কুরে কুরে খাচ্ছে। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস তার স্ত্রীও মারা গেছে। পাঁচ ছেলেমেয়েকে নিয়ে আনোয়ার যেন অন্ধকারের মধ্যে হাবুডুবু খাচ্ছে। এ সমাজের কেউ কি আছে আনোয়ারের জীবন কাহিনী শুনবে? তার পাশে এসে দাঁড়াবে? তাকে কেউ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিবে? ভাঙ্গা ক্রাচের ভর করে আনোয়ার কোনরকমে চলাফেরা করে। ক্রাচ কিনার মত টাকাও তার নেই। একদিন বাসস্ট্যান্ডে আনোয়ারের সাথে দেখা হয় দৈনিক মহাদেবপুরের খবরের সম্পাদক ও প্রকাশক মোহাম্মদ আককাস আলীর। তিনি আনোয়ারকে বললো আমার দুটো ক্রাচ আছে, বাসায় এসে নিয়ে যেও। আনোয়ার আমার বাসায় আসলো এবং তার হাতে ক্রাচ দুটো তুলে দিলাম। ক্রাচ পেয়ে হতদরিদ্র আনোয়ার মহা খুশি। প্রিয় পাঠক!আপনাদের কাছে প্রশ্ন! হাতুড়ে ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় হতদরিদ্র আনোয়ারের পা কাটা পরলো এবং তার পঙ্গুত্ব জীবনের দায়ভার কে এখন কে নেবে?