স্ত্রী-সন্তান রেখে গোপনে দ্বিতীয় বিয়ে স্বামীর, থানায় স্ত্রীর অভিযোগ

স্ত্রীজাকির হোসেন নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ ঢাকা ধামরাই এলাকার মেয়ে সালমা আক্তার (৩২)। আট বছর আগে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান রুবেল হকের সাথে। রুবেল হক ঢাকার ধামরাইয়ে একটি ঔষুধ কোম্পানি চাকুরী করতেন সালমা আক্তারের ভাইয়ের সাথে। সেই সুবাদেই পরিচয় এরপর সেই সম্পর্ক বিয়েতে গড়াই।
ভুক্তভোগী বলেন, বিয়ের প্রথম বছর ভালোই চলছিল। এরপর রুবেল নানান টালবাহানা করে বাড়ির কাজ করবেন বলে সালমার কাছ থেকে নানান অজুহাতে টাকা নিতে শুরু করেন। গত ৪-৫ মাস পূর্বে নিজ এলাকা নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার ভাবিচা ইউনিয়নের সাহলালপুর গ্রামে ফিরে এসে সালমার অজান্তে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। ভুক্তভোগী সালমার সন্দেহ হলে ঈদ-উল ফিতরের আগের দিন স্বামীর বাড়িতে এসে স্বামীর দ্বিতীয় বিয়েয় খবরটি নিশ্চিত হন। স্বামীর বাড়িতে ঢুকতে গেলে শশুর, শাশুড়ী ও স্বামী মিলে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে এবং বাড়ি থেকে বের করে দেয়। শরীরের মারধরের চিহ্ন নিয়ে নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন।
ভুক্তভোগী সালমা আক্তার উপযুক্ত বিচার চেয়ে বলেন, ওই লোকটি আমার জীবনের সব শেষ করে ফেলেছে। আমার ইপিজেডের সামনে একটি দোকান ছিল। যার সবকিছু শেষ করে দিয়েছে। আমার একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। তার ভোরণ পোষণ কিভাবে সামলাবো তা নিয়ে দুনিয়া ভেঙে পড়ছে।
ভুক্তভোগীর স্বামী রুবেল হকের নাম্বারে যোগাযোগের জন্য একাধিক বার ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *