বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ স্বাধীনতার স্বপক্ষের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের পদচারণায় মুখরিত ছিল অনুষ্ঠানস্থল। গোটা অনুষ্ঠানটি ছিল যেন স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তির মিলনমেলা।
বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়ার ভ্যাটারান্স ১৯৭১ ইউএসএ আয়োজিত স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা খান মিরাজ এবং পরিচালনা করেন মুক্তিযুদ্ধো সংহতি পরিষদ যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খুরশিদ আনোয়ার বাবলু ।স্বাগত বক্তৃতা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হোসাইন ।সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড.সিদ্দিকুর রহমান,উপদেষ্টা ও সিনিয়র সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন,আওয়ামী লীগ নেতা সাহানারা রহমান,আওয়ামী লীগ নেতা আকতার হোসেন,বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত আকবর রিচি,বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল খান আনসারী, বীর মুক্তিযোদ্ধা হেলাল মজিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা সাঈদুর রহমান সাঈদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও কবি অবিনাশ আচার্য্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা জাকির হোসেন হিরু ভূঁইয়া,বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সঙ্গীত শিল্পী তাজুল ইমাম ও ইউটিউব চ্যানেল হোষ্ট ড.সেলিনা আফরীন রিতা প্রমুখ ।অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন শেখ হাসিনা মন্ত্রের সহ-সভাপতি টি.মোল্লা,যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি শহিদুল ইসলাম,আজহারুল ইসলাম চৌধুরী মুছা প্রমুখ সহ আরোও অনেকে ।সাউন্ড সিস্টেম পরিচালনা করেন সঙ্গীত শিল্পী ও যুবলীগ নেতা তানভীর শাহীন।
স্বাধীনতা দিবসের এই আয়োজনে দেশের গান গেয়ে দর্শক-শ্রোতাদের মুগ্ধ করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা তাজুল ইমাম, দিনাত জাহান মুন্নি, আল আমিন বাবু, কবি সালেহা ইসলাম, ড. সেলিনা আফরীন রিতাসহ অনেকে। দ্বরাজ কণ্ঠে কবিতা আবৃত্তি করেন মুমু আনসারী। এ সময় পুরো অনুষ্ঠানস্থলে ছিল পিনপতন নিরবতা। আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে সবাইকে নৈশভোজে আপ্যায়ন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে সমবেত জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং ১৯৫২-এর ২১শে ফেব্রুয়ারি মহান ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ৬২, ৬৪ এর ৬ দফা, এগারো দফা শিক্ষা আন্দোলন ও স্বাধিকার আন্দোলন, ৬৯ এর গনঅভ্যুত্থান, আগড়তলা ষড়যন্ত্র মামলা, ৭১এর মহান মুক্তিযুদ্ধ, ১৫ই আগষ্ট স্বপরিবারে জাতির পিতা বংগবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,২০০৪। সীলে ২১শে আগস্ট শেখ হাসিনার উপর গ্রেনেড হামলা , ১৯৭৫-এর ৩রা নভেম্বরের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতার নিস্ঠুর হত্যাকান্ড এবং আজ পর্যন্ত স্বৈরাচার বিরোধী এবং সকল গনতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আত্মত্যাগী বীর এবং সম্ভ্রমহারা ২ লক্ষাধীক মা-বোনদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দাড়িয়ে ১মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।