বেনাপোল প্রতিনিধি:বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনের মরদেহ ভারতের কলকাতা থেকে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে দেশে এসে পৌঁছেছে। দীর্ঘদিন ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে কলকাতার রুবি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৪৮ বছর।
রোববার বেলা ১১টার দিকে কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনী ও ইমিগ্রেশনের প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে তাঁর মরদেহ নিজ জেলা চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হয়।
]
মরদেহ দেশে প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে বেনাপোল চেকপোস্ট এলাকায় ভোর ৪টা থেকেই বিজিবি, পুলিশ, ডিবি পুলিশ এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও কড়া নজরদারি বজায় রাখা হয়। ওপার থেকে পেট্রোপোল চেকপোস্ট পার হয়ে বেনাপোল ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে অ্যাম্বুলেন্সটি গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। সীমান্তে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রাকারী বাহিনী পুরোপুরি সতর্ক অবস্থানে ছিল।
পারিবারিক ও রাজনৈতিক সূত্রে জানা যায়, মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে সফলভাবে পালন করেছিলেন। সে সময় সংগঠনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন মাহমুদ হাসান রিপন। ছাত্ররাজনীতির পাট চুকিয়ে তিনি মূলধারার রাজনীতিতেও সক্রিয় হন। চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার এই রাজনীতিবিদ ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন। পরবর্তীতে ২০২১ সালে তিনি দলীয় শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক উপকমিটির সদস্য হিসেবেও মনোনীত হন।
দীর্ঘদিন তার ফুসফুসে পাকস্থীতে ক্যান্সারে গুরুতর অসুস্থ থাকার পর কলকাতার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর এই অকাল প্রয়াণ হয়।
বেনাপোল পোর্ট থানা ওসি আশরাফ হোসেন বলেন, যেহেতু তিনি সাবেক একটি দলের পদ বহন করছিলেন। যেহেতু স্থল পথে আসা ওই সাবেক নেতার মৃত্যূ দেহ যাতে সঠিক ভাবে তার নিজ এলাকায় পৌছে যায় তার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছেন।