বেনাপোল প্রতিনিধি: মাদকাসক্ত স্বামীর দীর্ঘ ২০ বছরের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে সংসার ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন ফারহানা পারভিন দুললী। নিজ উদ্যোগে ব্যবসা করে সন্তান লালন-পালন করা এই নারী বর্তমানে নতুন স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে সুখে থাকলেও, সর্বস্বান্ত সাবেক স্বামী প্তি হয়ে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও মানহানিকর অপপ্রচার চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় ২০ বছর আগে নুরুজ্জামানের সাথে ফারহানা পারভিন দুললীর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই নুরুজ্জামান চরম মাত্রায় মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন এবং দীর্ঘ দুই দশকেও নিজের সন্তানদের কোনো খোঁজখবর নেননি। উল্টো মাদক কেনার টাকার জন্য তিনি স্ত্রীর ওপর নিয়মিত নির্যাতন চালাতেন। এমনকি ফারহানা জীবিকা নির্বাহের জন্য বিউটি পার্লার ও কসমেটিকসের দোকান দিলে সেখানে গিয়েও হামলা ও ভাঙচুর চালাতেন নুরুলজমান।
নিজের ও সন্তানদের জীবন রার্থে এবং চরম নিরাপত্তাহীনতার কারণে বাধ্য হয়েই ফারহানা দীর্ঘ ২০ বছরের সেই সংসারের সাথে সব সম্পর্ক ছিন্ন করেন।
সাবেক স্বামীর অত্যাচার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর ফারহানা শার্শার বুলবুল নামের এক ব্যক্তিকে শরিয়ত সম্মতভাবে বিয়ে করেন। বর্তমান স্বামী বুলবুল ফারহানা এবং তাঁর আগের ঘরের সন্তানদের নিজ সন্তানের মতো স্নেহ ও যত্নে আগলে রেখেছেন। বর্তমানে তারা একটি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ জীবন কাটাচ্ছেন।
মাদকাসক্ত হয়ে নিজের জীবন ও সম্পদ ধ্বংসকারী নুরুজ্জামান এখন দিশেহারা হয়ে ফারহানার বিরুদ্ধে কুৎসা রটাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তিনি সমাজে অপপ্রচার চালাচ্ছেন যে, ফারহানা পরকীয়া করে সংসার ছেড়ে গেছেন।
“আমরা সম্পূর্ণ শরিয়ত ও নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছি এবং অত্যন্ত সুখে আছি। কিন্তু মাদকাসক্ত নুরুজ্জাজমান তার নিজের চরম ব্যর্থতা ঢাকতে এবং আমাদের সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।”
স্থানীয় সচেতন মহল ও স্বজনরা এ ধরনের মিথ্যা অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং দোষী ব্যক্তির এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের আইনগত প্রতিকার দাবি করেছেন।