মোহাম্মদ আককাস আলী, জেলা প্রতিনিধি : কখনো ভুয়া পুলিশ, কখনো প্রতারক, কখনো হানি ট্রাপে বিভিন্ন মিথ্যা পরিচয় দিয়ে মানুষের সাথে প্রতারণা করে থাকে এই জাকারিয়া। এক বৃদ্ধকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে মহিলার মাধ্যমে অশ্লীল ছবি উঠিয়ে চাঁদা দাবির প্রেক্ষিতে মান্দা থানার এক অভিযানে তাকে রোববার গ্রেফতার করা হয়েছে।
বাদী মীর মোঃ আনোয়ার হোসেন (৬২), পিতা-মৃত নসিম উদ্দীন, সাং-বালিয়াপুকুর, থানা-বোয়ালিয়া, জেলা-রাজশাহীকে তাহার ছেলের জন্য পাত্রী দেখানোর কথা বলিয়া তার পূর্ব পরিচিত এক মহিলা
গ্রেফতারকৃত প্রতারক জাকারিয়ার পরিকল্পনায় অপরাপর আসামীদের সহিত পরষ্পর যোগসাজসে এবং পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক গত ইং ০৭/১০/২০২৬ তারিখে সকাল অনুমান ১০.৩০ ঘটিকার সময় মান্দা থানাধীন তেতুলিয়া ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামস্থ বসতবাড়ীতে নিয়া আসে।
অতপর সকল আসামীগণ প্রতারক জাকারিয়ার পরিকল্পনা মাফিক ভিকটিম মীর মোঃ আনোয়ার হোসেন’ এর সহিত কথা বার্তার এক পর্যায়ে তাকে কিল, ঘুষি, চড়-থাপ্পড় মরে,উক্ত মীর মোঃ আনোয়ার হোসেনকে জোর পূর্বক অপর এক মহিলা আসামীর সাথে অশ্লীল ও নগ্ন ভিডিও এবং ছবি ধারণ করে । সেই সাথে অশ্লীল স্থির চিত্র ও ভিডিও চিত্র ধারণ পূর্বক ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং উক্ত মীর মোঃ আনোয়ার হোসেন এর পরিবারের লোকজনের সহিত মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে।
আসামীদের দাবিকৃত চাঁদার টাকা দেওয়ার কথা বলিয়া ভিকটিমের নিকট আত্মীয় স্বজন একই তারিখ দুপুর অনুমান ০২.৩০ ঘটিকার সময় ভিকটিমকে উদ্ধার করিয়া মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা করায়। উক্ত ঘটনার আলোকে ভিকটিম মীর মোঃ আনোয়ার হোসেন এর লিখিত এজাহারের প্রেক্ষিতে মান্দা থানার মামলা নং-১১, তারিখ- ১১ অক্টোবর, ২০২৬; ধারা- ৮ (১)/৮ (২), পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২; তৎসহ 342/323/385/506/34 পেনাল কোড রুজু করা হইয়াছে।
অভিযোগ দেওয়ার পর মান্দা থানা অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামী মোঃ জাকারিয়া কে গ্রেফতার করা হয়। প্রতারক জাকারিয়ার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে মোহনপুর ও মান্দা থানায় তিনটি মামলা রয়েছে। অপর অপর আসামিকে গ্রেফতার করার জন্য জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।