অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান বলেন, ১৯৭১ সালে যারা বাংলাদেশের বিরোধিতা করেছিল, তারাই এখন শেখ হাসিনার সরকার পতনের আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছে। আন্দোলনের নামে ষড়যন্ত্র করে এই সরকারের পতন ঘটানোর নীলনকশা করা হয়েছে। ১০০ কোটি টাকা লবিস্ট নিয়োগ করে তারা ভেবেছে ১০ ডিসেম্বর শেখ হাসিনার সরকারের পতন ঘটাবে। কিন্তু যত দিন জাতির জনকের আদর্শের সৈনিক বেঁচে আছে, তত দিন শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই বাংলাদেশ চলবে।
সাইফুজ্জামান আরও বলেন, ‘(বিএনপি) ১০০ কোটি টাকা দিয়ে লবিস্ট নিয়োগ করে তিনটা বিবৃতি দিয়েছে। জাতিসংঘ একটা বিবৃতি দিয়েছে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন একটা বিবৃতি দিয়েছে। কি বলেছে… পল্টনে যে সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটেছে তার সুষ্ঠু তদন্ত আর শান্তিপূর্ণ মিছিল সমাবেশ করার অধিকার। আমরা তো বলি নাই শান্তিপূর্ণ মিছিল সমাবেশ করতে দিব না। কিন্তু যখন বস্তাকে বস্তা বোমা পাওয়া যাবে আপনার অফিসে, শত শত মণ চাল–ডাল পাওয়া যাবে আপনার অফিসে, তখন তো ডালমে কুচ কালা হে।’
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবু নাসের বেগের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার মো. মশিউদ্দৌলা রেজা, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ ফ ম আবদুল ফাত্তাহ, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবু নাসির, জেলা মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার আবদুর রহমান প্রমুখ। আলোচনা সভার আগে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্বালন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।