
ওই ফটক দিয়ে প্রবেশ করছেন ঢাকা মহানগর উত্তর, রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগ, টাঙ্গাইল এবং ঢাকা জেলা উত্তরের নেতা-কর্মীরা। এ ছাড়া নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ এবং গাজীপুর জেলার নেত্রীরাও ওই ফটক দিয়ে প্রবেশ করছেন।
রমনা কালী মন্দিরের ফটক দিয়ে প্রবেশ করছেন বরিশাল বিভাগ, ফরিদপুর ও ঢাকা মহানগর উত্তর আর বাংলা একাডেমির উল্টো পাশে মেট্রোরেল স্টেশনের ফটক দিয়ে সিলেট, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগ থেকে আসা নেত্রীরা। আর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশনের গেট দিয়ে প্রবেশ করছেন সম্মেলনের আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা, যাঁরা অতিথি হিসেবে সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবেন। সম্মেলনের প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সম্মেলনে বাড্ডা থানা যুব মহিলা লীগের সভাপতি শাহনাজ বেগম বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে চাই। তিনি দেশের মানুষের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। আজকের সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্বে যুব মহিলা লীগ আরও শক্তিশালী ও গতিশীল হবে বলেও তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

রূপগঞ্জ যুব মহিলা লীগের নেত্রী সালেহা কবির বলেন, ‘বিএনপি-জামায়েত দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্ট করতে যে ষড়যন্ত্র করছে, সেটা প্রতিহত করতেই আমরা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পাশে আছি৷ শুধু বলতে চাই, হাসিনা আপার ভয় নেই, রাজপথ ছাড়ি নাই।’
এ সময় ঢাকা মহানগর উত্তর ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুব মহিলা লীগের হাজারো নেতা-কর্মী সম্মেলনে যোগ দিতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আসেন। নেতা-কর্মীদের ভিড়ে প্রবেশফটকগুলোর সামনে জটলা ও ভিড় জমে যায়। তখন সেখানে দাঁড়িয়েই তাঁরা মিছিল ও স্লোগান দিতে থাকেন।
অন্যদিকে আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যানবাহন নিয়ন্ত্রণের কোনো উদ্যোগ নেয়নি। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকেন্দ্রিক ক্ষমতাসীন দলের বিগত অনুষ্ঠানে শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে, ভিসি চত্বর, দোয়েল চত্বর এলাকায় প্রতিবন্ধকতা দেখা যায়নি। যানবাহন চলাচলও স্বাভাবিক ছিল।