মোঃ মোকাররম হোসাইন, জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি: জয়পুরহাটের কালাইয়ে নবম শ্রেণির এক নারী শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে উপজেলার কাটাহার রউফিয়া দাখিল মাদ্রাসার কর্মচারী আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে।
গতকাল মঙ্গলবার(২১ নভেম্বর)সকালে যৌন নিপীড়নের কথা স্বীকার করেন। ওই শিক্ষার্থীর পরিবার কালাই থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)ওয়াসিম আল বারি।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায় যে ,গত(৯ নভেম্বর) সকাল ১১টায় কাটাহার রউফিয়া দাখিল মাদ্রাসায় যান ৯ম শ্রেণীর ওই নারী শিক্ষার্থী । মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী উপজেলার বালাখুর গ্রামের কলম মন্ডলের ছেলে আমিনুল ইসলাম (৩৮) ওই নারী শিক্ষার্থীকে একা পেয়ে ক্লাস রুমে ডেকে যৌন নিপীড়ন করেন। মেয়েটি কাঁদতে কাঁদতে বাড়িতে গিয়ে পরিবারের নিকট ঘটনাটি খুলে বলেন। এরপর গত (২০ নভেম্বর)সোমবার সকালে ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী পরিবার উপরোক্ত ঘটনার প্রতিকার চেয়ে মাদ্রাসা সুপার বরাবরে লিখিত অভিযোগ দিলে উল্টো ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থীকে মাদ্রাসায় ডেকে মাদ্রাসার সুপার আব্দুল আলীম, বালাখুর গ্রামের লিটন ও অভিযুক্ত কর্মচারী আমিনুর ইসলাম মিলে হুমকি দেন এবং ঘটনাটি কাউকে বলতে নিষেধ করেন।
অভিযোগের বিষয়টি জানতে কাটাহার মাদ্রাসার গিয়েও অভিযুক্ত আমিনুল ইসলামকে পাওয়া যায়নি। তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি কল রিসিভ করেননি।
জানতে চাইলে কাটাহার মাদ্রাসার সুপার আব্দুল আলীম বলেন, এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে পারব না। বিষয়টি ম্যানেজিং কমিটি সিদ্ধান্ত নিবেন।
মাদ্রাসার সভাপতি আব্দুল হান্নান বলেন, এরকম একটি অভিযোগের ঘটনা শুনেছি। মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির মিটিংয়ে এই বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো।
জানতে চাইলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কাজী মো. মনোয়ারুল হাসান বলেন, অভিযোগ পেয়ে ওই মাদ্রাসার কমিটির সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। আগামীকাল মিটিং করে ওই কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি।
জানতে চাইলে কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াসিম আল বারী বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।