শামীম আখতার (নিজস্ব প্রতিবেদক): খ্যাতিমান কবি, নাট্যকার, গবেষক ও সব্যসাচী লেখক মুহম্মদ শফি এবারে পাচ্ছেন দ্যোতনা সাহিত্য পদক-২০২৬। দ্যোতনা সাহিত্য পরিষদ এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রতিবছরই সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য একজন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক কে সম্মানিত করে থাকেন। তারই ধারাবাহিকতায় আগামী ১৪ আগষ্ট (শুক্রবার) সকালে সাড়ে দশটায় যশোর নাট্যকলা সংসদ মিলনায়তনে দ্যোতনা সাহিত্য পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে মুহম্মদ শফিকে এই সম্মাননা প্রদান করা হবে।
মুহম্মদ শফি সাহিত্যে অজস্র কাজ করেছেন। কবিতা, আঞ্চলিক ভাষার কবিতা, নাটক, উপন্যাস, ছোটগল্প, প্রবন্ধ-গবেষণা, শিশু সাহিত্য, পাঠ্যপুস্তক, সম্পাদনা ইত্যাদি মিলে এ যাবৎ তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ ৮৯টি। মুহম্মদ শফি তাঁর সাহিত্যে অবদানের জন্যে দেশের বাইরে চীন, জাপান, আমেরিকা, ব্রিটেন ও ভারত থেকে বহু সম্মাননা অর্জন করেছেন। দেশেও পুরস্কার এবং সম্মাননা পেয়েছেন ৫০টিরও বেশি। পেয়েছেন কাব্যসাহিত্যে অবদানের জন্যে ‘কাব্যাচার্য’ ও নাট্যসাহিত্যে অবদানের জন্যে ‘বঙ্গশ্রী’, ‘নাট্যভূষণ’ ও ‘ইন্টারন্যাশনাল অর্ডার অব মেরিট'(ক্যামব্রিজ, লন্ডন) খেতাব।
মুহম্মদ শফি ঢাকার ঐতিহ্যবাহী মতিঝিল মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের বাংলা বিভাগে সুদীর্ঘকাল শিক্ষকতার পাশাপাশি গ্রন্থাগার পরিচালকের দায়িত্ব পালন শেষে বর্তমানে যশোরের কেশবপুর পৌরসভার ভবানীপুর নিজ বাড়িতে অবসর জীবনযাপন করছেন। মুহম্মদ শফির আত্মজীবনী “বিষাদ আমার আনন্দে আমি”(প্রথম খন্ড) ও নতুন কাব্যগ্রন্থ “দেখা হবে এসো ভবানীপুরে” প্রকাশের অপেক্ষায়।
মুহম্মদ শফি বাংলা একাডেমির আজীবন সদস্য এবং বাংলাদেশ সাহিত্য সেবা সংসদ (বাসাসেস) এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। মুহম্মদ শফির এই সাফল্যে আমরা গর্বিত।