বেনাপোলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মহান মে দিবস উদযাপিত: র‌্যালি ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

বেনাপোল প্রতিনিধি: শ্রমিক-মালিক ঐক্য গড়ি, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলি”এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বেনাপোল স্থলবন্দরে যথাযোগ্য মর্যাদায় ১৪০তম মহান মে দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বেনাপোল আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজিঃ নং ৯২৫)-এর উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‌্যালি, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

শুক্রবার (১ মে) সকাল ৮টায় বেনাপোল স্থলবন্দরের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি বেনাপোল পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ও বাজার এলাকা প্রদক্ষিন করে পুনরায় স্থলবন্দরে এসে শেষ হয়। র‌্যালিতে বন্দরের সাধারণ শ্রমিক, শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫ও ৮৯১ এর  শ্রমিক নেতাকর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

র‌্যালি শেষে বেনাপোল স্থলবন্দরের ১ নম্বর ওয়্যারহাউসের শ্রমিক সভাকে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। শ্রমিক ইউনিয়ন (৯২৫)-এর সভাপতি তবিবুর রহমান তবি এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মোঃ সহিদ আলী। সভার শুরুতে মহান মে দিবসের বীর শহীদদের স্মরণে এবং নিহত শ্রমিকদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক মোঃ সহিদ আলী বলেন ১ মে মহান মে দিবস বিশ্ব শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের এক অবিস্মরণীয় দিন। ১৮৮৬ সালে আমেরিকার শিকাগো শহরের হে মার্কেটে দৈনিক ৮ ঘণ্টা কাজের দাবিতে শ্রমিকরা বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছিলেন। তাদের সেই আত্মত্যাগের বিনিময়েই আজ বিশ্বজুড়ে শ্রমিকরা তাদের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা ফিরে পেয়েছে।”

মে দিবস আমাদের শ্রমিক ও মালিকের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখার শিা দেয়। যদিও সমাজ থেকে এখনও পুরোপুরি বৈষম্য দূর হয়নি, তবে এই দিবসটি শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবসময় অনুপ্রেরণা জোগায়। আমরা বন্দরের উন্নয়ন ও শ্রমিকদের স্বার্থ রায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাব।”

অনুষ্ঠানে  উপস্থিত ছিলেন সহ-সাধারণ সম্পাদক: মোঃ আব্দুল মজিদ ও মোঃ জিয়াউর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ইদ্রিস আলী ডাক্তার, কোষাধ্য মোঃ সবুজ হোসেন।সদস্য মোঃ কামরুজ্জামান, জামির হোসেন, মোঃ ইছাহক মেম্বার, মোঃ জুলু মেম্বার, লিংকন মেম্বার এবং লেবার সরদার মোঃ হাসেম আলীসহ ইউনিয়নের সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ শ্রমিকবৃন্দ।
বক্তারা শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা সঠিকভাবে বন্টনের ওপর গুরুত্বারোপ করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *