বেনাপোলে স্বর্ণের চেইন ছিনতাইয়ের চেষ্টায় ৬ নারী আটক

মোঃ আনিছুর রহমান বেনাপোল প্রতিনিধি: বেনাপোলে স্বর্ণের চেইন  ছিনতাইয়ের অভিযোগে ৬ নারীকে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয়রা। ইজিবাইক এর ভিতর ব্রাম্মনবাড়িয়া থেকে আসা তানিয়া (৩৪) নামে এক নারীর গলার চেইন কাটার দিয়ে কাটার সময় তার চিৎকারে স্থানীয় মফিজুর রহমান পিন্টু এসে ওই ৬ জন নারীকে আটক করে থানায় হস্তান্তর করেন। এসময় তাদের একজনের কাছে একটি শিশু সন্তান ছিল।

শুক্রবার বেলা পনে ৩ টার সময় এ ঘটনা ঘটে বেনাপোল পৌর সভার দিঘিরপাড় এলাকায়।

আটককৃত নারী প্রতারক ছিনতাইকারীরা হলো:- ব্রাম্মনবাড়িয়া জেলার নাসির নগর থানার ফিরোজ এর মেয়ে ইভা আক্তার (৩৫) একই এলাকার  ইয়াছিন এর স্ত্রী সুলতানা খাতুন (২৪) পশাল এর স্ত্রী মোর্শেদা খাতুন (২০) খলিল এর স্ত্রী রাবেয়া খাতুন (১৮) শিপন এর স্ত্রী শাহনাজ পারভিন (২৩) জুয়েলের স্ত্রী নারগিস খাতুন (২১)।

ভুক্তভোগি তানিয়া জানায়, সে বেনাপোল বাজার থেকে তার ভাড়াটিয়া বাসা দিঘিরপাড় যাওয়ার সময় পথিমধ্যে তালশারী নামক স্থান থেকে ওই ৬ নারী ইজিবাইকে উঠে। তারা গাড়িতে ঠাসাঠাসি করে বসে। এসময় তার সামনে তারা টাকা ফেলে দিয়ে উঠায় দিতে বললে সে ইজিবাইকের মধ্যে নিচে হয়ে টাকা তুলতে গেলে তারা একটি ছোট্র কাটার দিয়ে তার গলার চেইন কেটে ফেলে। এসময় সে দেখে তার স্বর্ণের চেইনটি তারা নেওয়ার চেষ্টা করছে। তখন সে চিৎকার দিলে বেনাপোল পৌর যুবদলের সদস্য মফিজুর রহমান পিন্টু এসে তাদের আটক করে থানায় হস্থান্তর করে।

স্থানীয় মফিজুর রহমান পিন্টু বলেন, ইজিবাইকের ভিতর তানিয়াকে জিম্মি করে তার গলার স্বর্ণের চেইন ছিনতাইয়ের সময় তানিয়ার চিৎকারে এগিয়ে এসে ওই ছয় প্রতারক ছিনতাইকারী নারীকে আটক করে থানায় হস্তান্তর করেন।

প্রতারক ইভা আক্তার বলেন, তারা বেনাপোলে তাদের এক হারিয়ে যাওয়া ভাইকে খুজতে এসেছিল। তার ভাইকে তারা খুজে পায়নি। তারা কোন প্রতারক বা ছিনতাইকারী নহে। তবে বেনাপোলে কোথায় কোন ঠিকানায় তার ভাইকে খুজতে এসেছে এ প্রশ্নে তারা কোন সদুত্তর দিতে পারেন নাই।

বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: রাসেল মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন প্রতারক নারীদের বিষয় তাদের এলাকায় খোজ খবর নেওয়া হচ্ছে। তবে তানিয়া নামে এক নারীর স্বর্ণের চেইন প্রতারণার মাধ্যেমে নেওয়ার চেষ্টার  অপরাধে তাদের নামে মামলা দিয়ে যশোর আদালতে পাঠানো হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *