বেনাপোল প্রতিনিধি: বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে আমদানিকৃত পণ্য প্রবেশ এবং তা খালাস পর্যন্ত বন্দর কর্তৃপক্ষের সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব ও সীমাবদ্ধতা নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৪ মে) সকাল ১১টায় আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল ভবনের সম্মেলন কক্ষে এই সভার আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক শামিম হোসেন আমদানিকৃত পণ্যের নিরাপত্তা ও প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি জানান, ভারত থেকে পণ্যবাহী ট্রাক বন্দরে প্রবেশের পর থেকে পণ্য খালাস হওয়া পর্যন্ত সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বন্দরের প্রধান কাজ। বন্দরে যাতে কোনো প্রকার চুরি বা অনাকাঙ্তি ঘটনা না ঘটে, সে লক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার ও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
বেনাপোল বন্দর পরিচালক শামিম হোসেন বলেন, পণ্যচালানের বিষয়বস্তু পরীক্ষা নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পরিষ্কার করেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, আমদানিকৃত প্যাকেজের ভেতরে কী পণ্য আছে, তা দেখার বা পরীক্ষা করার এখতিয়ার বন্দর কর্তৃপক্ষের নেই। কার্টুন বা প্যাকেজের ভেতরে থাকা পণ্যের কায়িক পরীক্ষা করবেন কাস্টমস কর্মকর্তারা। আমদানিকৃত পণ্যের সঠিকতা যাচাই করা তাদের আইনগত দায়িত্ব।
শেড ইনচার্জরা ভারত থেকে আসা পণ্যের ‘প্যাকেজ ম্যানিফেস্ট’-এর সঙ্গে সংখ্যা ও বর্ণনার মিল রেখে পণ্য বুঝে নেবেন। যদি ম্যানিফেস্টের তুলনায় পণ্য অতিরিক্ত পাওয়া যায়, তবে বন্দর কর্তৃপক্ষ তা তাৎণিকভাবে বেনাপোল কাস্টমস হাউসকে অবহিত করবে।
পণ্য হ্যান্ডলিং ও সংরক্ষনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখার ওপর জোর দিয়ে পরিচালক শামিম হোসেন বলেন, বন্দরের কাজ মূলত লজিস্টিক সাপোর্ট প্রদান এবং পণ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করা। কাস্টমস এবং বন্দর কর্তৃপরে মধ্যে যথাযথ সমন্বয়ের মাধ্যমে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আরও গতিশীল করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বেনাপোল স্থল বন্দরের সহকারী পরিচালক রুহুল আমিন, কাজী রতন ইঞ্জিনিয়ার আবুল খায়ের সহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় সংবাদিকবৃন্দ । উপস্থিত সাংবাদিকরা বন্দরের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরলে পরিচালক পর্যায়ক্রমে তা সমাধানের আশ্বাস দেন।