সাপাহারে মামার লোকজন কুপিয়ে হত্যাকরল ভাগিনাকে

তছলিম উদ্দীন সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি: সাপাহারে ভাই বোনের মধ্যে জমিজমার শত্রæতার জেরে মামা পক্ষের লোকজনের কোদালের কোপে বোনের ছেলে মর্মান্তিক ভাবে নিহত হয়েছে। সাপাহার থানায় বোন নিহত শহিদুল ইসলামের বিধবা “মা” বইফুল খাতুনের লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে সাপাহার উপজেলার গোয়ালা খরিবোনা গ্রামের মজিবুর ও মতিবুর ইসলমের সাথে তাদের আপন বোন বইফুল খাতুনের দীর্ঘ দিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে মামলা মোকদ্দমা চলে আসছিল।

এরই জেরে গত ৩মাচর্ মঙ্গলবারে বোনের ছেলে শফিকুল ইসলাম (৪৭) পাশর্^বর্তী দিঘির হাট হতে অটো চার্জার ভ্যান নিয়ে রাত্রি অনুমান ৮টার দিকে বাড়ি ফিরছিলেন। পতিমধ্যে তার গ্রামের অদুরে গোয়ালা লক্ষীতলা নামক স্থানে পরিকল্পিতভাবে মামা মজিবুর ও মতিবুলের লোকজন রাস্তার পাশে আমবাগানে ওঁত পেতে বসে থকে। গ্রামীন কাঁচা রাস্তায় শহিদুল ইসলাম উক্ত স্থানে তার অটো ভ্যানটি নিয়ে এলে ওঁত পেতে বসে থাকা লোকজনরা রাস্তায় বাঁশের বেরিক্যাড দিয়ে তার পথ রোধ করে এলোপাথাড়ী মারপিট শুরু করে। এসময় মামা মজিবুর আদেশ দিলে এক আসামী তার হাতে থাকা কোদল দিয়ে সজোরে শহিদুলর মাথায় চোট মারে মহুর্তে জ্ঞান হারিয়ে শহিদুল রাস্তায় লুটিয়ে পড়লে গ্রামের লোকজন তাকে উদ্ধার করে স্থানিয় সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্্ের নিয়ে আসে। এসময় তার অবস্থার অবনতী দেখে সাথে সাথে চিকিৎসকগন তাকে রাজশাহী মেডিক্যেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। এর পর চিকিৎসাধীনাবস্থায় রাতেই শহিদুল ইসলাম রাজশাহী ম্যডিক্যাল কলেজ হাসপাতালেই মৃত্যুবরণ করেন।

আজ বুধবার ৪মার্চ মৃত শহিদুলের “মা” বাদি হয়ে পুত্র হত্যার বিচার চেয়ে ১৮জনকে আসামী করে সাপাহার থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু করেন।

সাপাহার থানার অফিচার্জ ইনচার্জ (ওসি) আনারুল ইসলাম জানান যে, নিহতের মায়ের আবেদন আমি পেয়েছি এবং এবিষয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ ইতমধ্যেই ৪জন আসামীকে গ্রেফতার করে নওগাঁ কোটে চালান করেছে বাকী আসামীদের গ্রেফতারের জোর চেষ্টা চালনো হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *