কালের সংবাদ ডেস্কঃ সারা দেশের নেতাদের ডেকেছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রবিবার গণভবনে তাদের নিয়ে বসবেন তিনি।
ষড়যন্ত্র মোকাবিলা ও আগামী নির্বাচন উপলক্ষ্যে ভোট প্রস্তুতির চূড়ান্ত বার্তা দেবেন।
সারা দেশের নেতাকর্মীদের নির্বাচনি গাইডলাইন, দলের পদবঞ্চিত-ত্যাগী অভিমানীদের রাগ নিবারণ এবং দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থেকে সারা দেশে কাজ করবার নির্দেশনা দিবেন বলে জানাযায়।
সভায় আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটি, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, জেলা/মহানগর ও উপজেলা/থানা/পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক, জাতীয় সংসদের দলীয় সংসদ সদস্য, জেলা পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের দলীয় চেয়ারম্যান, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার দলীয় মেয়র এবং সহযোগী সংগঠনগুলোর কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা উপস্থিত থাকবেন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সভায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন।
ভোট কৌশলে’র বার্তা কর্মী ও নেতাদের প্রতি ব্যক্তি নয় “নৌকা প্রতীক” দেখে ভোট দিতে হবে।
চাওয়া-পাওয়ার হিসাব বাদ দিয়ে দেশ-জাতি ও দলের স্বার্থে সব পর্যায়ের নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার তাগিদ দেওয়া হচ্ছে।
অতীতের সব দ্বন্দ্ব-কলহ মিটিয়ে আওয়ামী পরিবারে সন্তান হিসেবে, এক সঙ্গে কাজ করতে বলা হচ্ছে।
পাশাপাশি ভবিষ্যতে পদবঞ্চিত-ত্যাগীদের মূল্যায়ন করার আশ্বাসও দিচ্ছেন নেতারা। ভোটের আগে দলকে সুসংগঠিত করতে উদ্যোগী হয়েছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাও। অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিরসন করে টানা চতুর্থ মেয়াদে ক্ষমতায় আসাই আওয়ামী লীগের মূল লক্ষ্য।
দলীয় ঐক্য সুসংহত ও সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির মূল লক্ষ্য।
সাত ইস্যু নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের গাইডলাইন দেবেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা।
১) অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব নিরসন,
২) বিএনপি-জামায়াতসহ সরকারবিরোধীদের অপপ্রচারের জবাব,
৩) সরকারের উন্নয়ন প্রচার,
৪) গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে তৃণমূল পর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করা,
৫) ভোটারদের ভোটকেন্দ্রমুখী হতে উদ্বুদ্ধ করা,
৬) কারো উসকানিতে পড়ে গায়ে পড়ে বিবাদে না জড়ানো,
৭) সর্বোপরি ঐক্যবদ্ধভাবে নৌকাকে অথবা জোটের প্রার্থীকে বিজয়ী করা।