নিজেস্ব প্রতিনিধিঃ ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন উত্তরা লির্বাটি ক্লাব লিমিটেডের প্রেসিডন্ট মো সোহেল শেখ সহ উপস্হিত মাসুম আলী খান-পরিচালক ক্রয়, মোঃ আসাদুল আলম-পরিচালক ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট, মোঃ রফিকুল ইসলাম রাজু-পরিচালক প্রকাশনা, এস এম ফারুক হোসাইন আকাশ-পরিচালক স্পোর্টস এন্ড জিম, এম এম আমিনুর রহমান মিন্টু-সাধারণ সদস্য, জহির রায়হান-সাধারণ সদস্য, সোহেল চৌধুরী-লাইফ মেম্বার। এর পরেই জাতীয় পতাকা উত্তলোন করেন ক্লাবের প্রেসিডন্ট মো সোহেল শেখ এবং ক্লাবের পরিচালক ও সদস্য বৃন্দ উত্তলোন করেন ক্লাবের পতাকা।
পরে শহিদের স্বরণে দোওয়া করেন। এই মহান বিজয় দিবস ৭১-এর ২৬ মার্চ যে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে এ দেশের রক্তাক্ত অভ্যুদয় ঘটেছিল তার সফল পরিণতি পায় সে বছরেরই ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীকে পরাজিত করার মাধ্যমে। বাঙালি জাতির আত্মত্যাগের শ্রেষ্ঠতম অর্জন হলো স্বাধীনতা। আর সেই গৌরবময় স্মৃতির ইতিহাস অম্লান করে রেখেছে “১৬ই ডিসেম্বর” বিজয় দিবস। ১৯৭১ সালে নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শেষে আত্মসমর্পণ করেছিল হিস্র বর্বর পাকহানাদার বাহিনী। ঢাকার তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এ আনুষ্ঠানিক আত্মসমর্পণের মাধ্যমে চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয় আর এর মধ্য দিয়েই অভ্যুদয় ঘটে বাঙালির কাংক্ষিত স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশের। বাঙ্গালীর মুক্তিযুদ্ধের এবং বাংলার মানুষের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক অধিকার তথা স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে সফল নেতৃত্ব প্রদান করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
কোটি কোটি নিরস্ত্র বাঙালিকে তিনি স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত করে তুলেছিলেন ৭ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা-সংবলিত সেই অগ্নিঝরা ভাষণের মাধ্যমে অবিচল ছিলো গোটা বাংলার মুক্তিকামী মানুষ গুলো। এ বিজয়ের অনুভূতি অকৃত্রিম, অনাবিল আনন্দের। অযুত লক্ষ মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমাদের এই বিজয়ের বাংলাদেশ। বিজয়ের ৫২ বছর পূর্তিতে এই আত্মত্যাগের স্মরণে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি এবং যেসব মহীয়সী নারী সম্ভ্রম হারিয়েছেন ও ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন, তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান ক্লাবের প্রেসিডন্ট জনাব মো সোহেল শেখ সহ উপস্হিত সবায়।