হাকিকুল ইসলাম খোকন, প্রতিনিধি আমেরিকা : প্রবাসী লেখক আবুল বাশারের বই “ডার্ক নাইট অন আইল্যান্ড ফেরি” বইটি আনুষ্ঠানিকভাবে আগামী ২০ শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অমর একুশে গ্রন্থমেলায় প্রকাশ হবে। ডার্ক নাইট অন আইল্যান্ড ফেরি নামে বইটিতে তরুলতা, পরাজয়, ড্রিম অফ মাদার, গোপন প্রেম, ছেলু কেন চোর, ডার্ক নাইট অন আইল্যান্ড ফেরি নামে ছয়টি ছোট গল্প থাকবে। নিউইর্য়ক, আমেরিকা ও বাংলাদেশ এর ছোট্ট ছোট্র স্মৃতি নিয়ে বাস্তব জীবনে ঘটে যাওয়া ঘটনার কিছু বহিঃপ্রকাশ। বইটিতে দুঃখ কষ্ট আনন্দের স্মৃতিময় কিছু ফেলা আসা অতীত ও বর্তমান সম্বলিত গল্প থাকবে। । লেখক কালের সংবাদ প্রতিনিধি কে বলেন, আশা করছি সবার ভালো লাগবে। ঢাকার একুশের বইমেলা ২০২৬ বইটি জলধি প্রকাশনীতে পাওয়া যাবে।লেখক আবুল বাশার বইটির বর্ননায় লিখেছেন, গ্রামের নাম কমলপুর । প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অপরূপ নিদর্শন গ্রামটি । কমলপুর গ্রামের প্রকৃতি ও জীবনের প্রতি মানুষের গভীর টান অনুভব করা যায়। এখানে প্রকৃতির সরলতা, সারল্য এবং প্রকৃতির সাথে মানুষের নিবিড় সম্পর্ক বিশেষভাবে আকর্ষণীয়। গ্রামের এই রূপ আমাদের শহুরে জীবন থেকে ছুটি নিয়ে প্রকৃতির কাছাকাছি যেতে উৎসাহিত করে।
ছোট্ট এই গ্রামের মধ্যদিয়ে একেবেকে চলমান এক নদী । নাম পারলী নদী। এই পারলী নদীর এক পাশে বাস করতেন কফিল উদ্দিন ও নাছিমা খাতুন নামের এক সুখী পরিবার।
তাদের ছিলো ছকিল উদ্দিন নামের এক টগবগে যুবক। বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান ছকিল। আদর করে অনেকেই ছেলু নামে ডাকতেন।
তাদের জীবন চলতে ছিল পারলীর মতো। কখনো ছেলু চিন্তা করতো না জীবন নিয়ে। সারাক্ষণ ব্যস্ত সময় কাটাতো প্রকৃতির সান্নিধ্যে, পড়াশোনা আর খেলাধুলা নিয়ে।
স্কুলের খাতা কলমে ছকিল উদ্দিন হলেও গ্রামে সবাই ছেলু নামেই চিনে জানে । ছেলু যখন ক্লাস নাইনে পড়ত তখন তার বয়স ১৭ বছর। তখনকার দিনে একটু গায় গতরে তাগরা না হলে কেউ স্কুলে যেতো না । ছেলুর বাবা ছিলেন দশ গ্রামের মধ্যে একনজরে সবার প্রিয় ব্যক্তি। অগাধ জায়গা সম্পত্তির মালিক। হালে ছিল অনেকগুলো বলদ আর গাভী । এক সময় কৃষি প্রধান এলাকাগুলো শতাব্দির পর শতাব্দির ঐতিহ্য ধরে রেখেছিলো কৃষকের গরু, লাঙ্গল-জোয়াল দিয়ে জমি চাষাবাদ। গরু- লাঙ্গল-জোয়াল দিয়ে জমি চাষাবাদকে পেশা হিসাবে নিয়ে কৃষকরা জীবন জীবিকা নির্বাহ করতো। আবার কেউ কেউ ধান, গম, ভুট্টা, তিল, সরিষা, কলাই ও আলুসহ বিভিন্ন পন্যের ফসল উৎপাদনে গরু দিয়ে হাল চাষের বিকল্প কিছু ছিলো না। বর্তমান প্রযুক্তি কাছে হেরে কৃষকরা এখন হালচাষ পেশা পরিবর্তন করে অন্য পেশার দিকে ঝুঁকছে।
দিনটি মঙ্গলবার । ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ৭ ই মার্চ। শোষণমুক্তির মন্ত্রে উজ্জীবিত বাঙালির স্বাধীনতার ডাক। ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ সম্প্রচার করা হবে, এমন ঘোষণায় সারা বাংলায় শ্রোতারা অধীর আগ্রহে রেডিও নিয়ে অপেক্ষায় ।
রেসকোর্সের জনসমুদ্রে ২৩ বছরের বঞ্চনার ইতিহাস ১৯ মিনিটে তুলে ধরে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ, ‘রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেব, এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব, ইনশাআল্লাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’জয় বাংলা ।