বেনাপোল স্থল বন্দরে মত বিনিময় সভা

মো: আনিছুর রহমান বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: বেনাপোল স্থল বন্দরের গুরুত্ব অপরিসীম। এই স্থল বন্দর থেকে দেশে সিংহভাগ রাজস্ব আদায় হয়ে থাকে। স্থল বন্দর এর কাজ ব্যবসায়িদের সহযোগিতা করা। তাদের পণ্য আটক নয়। এই বন্দরের সাথে অন্য কোন বন্দরের তুলনা করা যাবে না।  এই বন্দরকে অন্য বন্দরের চেয়ে গুরুত্ব বেশী দেওয়া হয়। এই পথে ভারত থেকে দেশের সিংহভাগ পণ্য আমদানি হয়। সেই সাথে রফতানি ও বেশী হয়ে থাকে। তাই বন্দরের চুরি ছিনতাই সব কিছু রোধ করার জন্য রয়েছে পর্যাপ্ত সিসি ক্যামেরা ও সিকিউরিটি বাহিনী। ব্যবসায়িদের আমদানি পণ্যর সুরক্ষার জন্য রয়েছে ফায়ার সার্ভিস টিম। এই টিমের কাছে যে অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র রয়েছে তা মাঝে মাঝে পরীক্ষা করার জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষকে দেখতে হবে। বেনাপোল স্থল বন্দরের সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে  কথাগুলো বললেন  নৌপরিবহন মন্ত্রনালয়ের সচিব ডক্টর নুরুন্নাহার চৌধুরী।

শুক্রবার (২১ নভেম্বর  ) বেলা সাড়ে ১১ টার সময় বেনাপোল চেকপোষ্ট আন্তর্জাতিক প্যাচেঞ্জার টার্মিনালের কনফারেন্স রুমে এ মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত সচিব বাংলাদেশ স্থল বন্দরের চেয়ারম্যান মোহাম্মাদ মানজুরুল মান্নান।

এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সহকারি কমিশনার তৌফিকুর রহমান, শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রনি খাতুন,যশোর নাভারন সার্কেল এ এসপি মো: আরিফ হোসেন, ইমিগ্রেশন ওসি শাখাওয়াত হোসেন হোসেন, এন এস আই এডি ফরহাদ হোসেন, ডিজিএফ আই ইনচার্জ মোবারক হোসেন, বেনাপোল চেকপোষ্ট বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার মিজানুর রহমান, বেনাপোল সিএন্ড এফ এজেন্ড এর সাবেক সভাপিত মফিজুর রহমান সজন, সিএন্ড এফ স্টাফ এ্যাসোসিয়েশন এর সাধারন সম্পাদক সাজেদুর রহমান, বেনাপোল শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫ এর হ্যান্ডলিংক ইউনিয়ন এর সাধারন সম্পাদক সহিদ আলী, সহ আমদানি রফতানি বানিজ্যের ও সিএন্ডএফ সদস্যরা।

স্থানীয় ব্যবসায়িরা এ সময় এই বন্দরের কথা বিবেচনা করে দ্রুত চিকিৎসার জন্য একটি হাসপাতাল নির্মান এবং শুল্ক ফাকি রোধ ও চুরি হওয়ার বিষয়ে বিশেষ নিরাপত্তা এবং আমদানি পণ্য নজরদারিতে রাখার জন্য দাবি জানায়। এছাড়া পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা জরুরী প্রয়োজন বলে দাবি তোলেন।

স্থানীয় ব্যবসায়িদের কথা বিবেচনা করে প্রধান অতিথি নুরুন্নাহার চৌধুরী  আশ্বাস দেন সব প্রকার ত্রুটি পুর্ণ ব্যবস্থা নিবেন। তবে শুল্ক ফাকির মত কোন ঘটনা ঘটলে তাদের সহযোগিতা করার জন্য ব্যবসায়িদের সহযোগিতা কামনা করেন। এছাড়া তিনি বলেন শুল্ক ফাকির ঘটনা যেহেতু কাস্টমস দেখে তাদেরও অবগতি করিয়ে এসব রোধ করে সুষ্ঠু ধারার ব্যবসা করার মানসিকতা সকলের মধ্যে যাতে গড়ে ্উঠে সে কামনা করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *