রাজনীতিতে জামায়াতের কুকীর্তি (২০০১-২০০৬)=
দলগত দূর্নীতির শীর্ষে দল “জামায়াত”
ডেক্স খবর: রাজনীতিতে দূর্নীতির শীর্ষে দল “জামায়াত” এদের হাতে দেশের দায়িত্ব দিলে এই দেশের কোনো অস্তিত্বই এরা রাখবে না। এরা খাবলে, খামচে, কামড়ে আবার ৫৬ হাজার বর্গমাইল আর ১৬ কোটি মানুষকে শেষ করে দেবে এরা।
১) জামাতে সংসদ সদস্য ছিল – ১৭ জন (২০০১-২০০৬)।
২) দূর্নীতি দমন কমিশনে এই যাবত ২ জন মন্ত্রী সহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
৩) ৪ জন দুর্নীতির অভিযোগে কারাগারে রয়েছে : – ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, গাজী নজরুল ইসলাম, মিজানুর রহমান ও শাহজাহান চৌধুরী।
৪) পলাতক ৩ জন ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী, আব্দুস সুবহান ও মিয়া গোলাম পরওয়ার।
৫)ডা. তাহেরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ আত্নসাতের অভিযোগে মামলা হয়েছে।
৬) গাজী নজরুল ইসলামের নাম রয়েছে চিংড়ি ঘের, ২৫ বিঘা সম্পত্তিসহ অঢেল সম্পত্তি অর্জন এবং টিআর-এর পৌনে ২ কোটি টাকা আÍসাতের অভিযোগ রয়েছে।
৭) মিজানুর রহমান চৌধুরীর বাড়ি থেকে এবং মাওলানা আবদুস সুবহানের ব্যক্তিগত ক্লিনিক আল-আমানা থেকে ত্রাণের টিন উদ্ধার করা হয়েছে।
৮) শাহজাহান চৌধুরীর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পাদ অর্জন ও হত্যা মামলা সহ ৪টি মামলা রয়েছে।
৯) মিয়া গোলাম পরওয়ারের বিরুদ্ধে আসিফ জুট মিলের আড়াই কোটি টাকা আত্নসাতের অভিযোগে খুলনার খানজাহান আলী থানায় মামলা রয়েছে।
১০) মাওলানা আব্দুল আজিজের বিরুদ্ধে ত্রাণের টিন আÍসাতের অভিযোগ রয়েছে।
১১) দলের প্রধান কান্ডারী ও সাবেক মন্ত্রী মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর বিরুদ্ধে গ্যাটকো দুর্নীতি মামলায় দুদক অভিযোগপত্র দায়ের করেছে।
১২) দলের অপর নেতা ও সাবেক মন্ত্রী আলী আহসান মুহম্মাদ মুজাহিদ চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা হয়েছে।
১৩) মাওলানা ফরিদ উদ্দিনের বিরুদ্ধে ২৫ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে কানাইঘাট থানায় মামলা হয়েছে।
আর এই মোনাফেকরা বলে যে জামায়াতের কারো বিরুদ্ধে নাকি কোনো অভিযোগ ই ছিলো না।
দলগত হিসাব করলে জামায়াত পারসেন্টেজ এ দুর্নীতি করেছে বেশি কারণ তাদের সাংসদ ই ছিলো ১৭ জন।
এই ধর্মব্যবসায়ী মোনাফেকদের নিকট থেকে সাবধান হবার জন্য সকল সাধারণ জনগনের আহ্বান।