শার্শায় পল্লী চিকিৎসক আলামিন হত্যার সাথে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে আটক তিনজনকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে

মো: আনিছুর রহমান, বেনাপোল প্রতিনিধি: শার্শার পল্লীতে পল্লী চিকিৎসক আলামিন হত্যার ১ দিনের মধ্যে আটক তিনজনকে জেল হাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ। পল্লী চিকিৎসক আলামিন হত্যা হওয়ার পর বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত  আলাউদ্দিন আলা, লালন হোসেন ও সেলিম হোসেনকে সন্দেহজনক ভাবে তিনজনকে  আটক করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

আটককৃতরা হলেন, শার্শার দক্ষিন বুরুজবাগান গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে আলাউদ্দিন আলা, একই গ্রামের জামির হোসেন এর ছেলে লালন হোসেন, ও আব্দুল কাদেরের ছেলে সেলিম মিয়া।

স্থানীয়রা জানায় আলাউদ্দিন যুবদলের সক্রিয় সদস্য এবং অন্য দুইজন ও যুবদলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। আলাউদ্দিন ও সেলিম নাভারন এলাকার একজন চিহিৃত চাঁদাবাজ এবং মাদক ব্যবসায়ি। সে স্থানীয়  বিএনপির এক এক শীর্ষ  নেতার এক নিষ্ঠ কর্মী। নাভারন এলাকার কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ি আয়নাল জয়নালের ভাই সেমিল।

নির্ভরযোগ্য সুত্র  জানায়, আল আমিন একজন পুলিশের স্ত্রীকে বিয়ে করে বেশ কিছু দিন আগে। সে তার প্রথম স্ত্রীকে শার্শার কুলফালা গ্রামে রেখে ছোট স্ত্রীকে নিয়ে ভাড়া থাকত।  বিগত মাস তিনেক আগে নাভারন এলাকায় এরই সুত্র ধরে আটককৃত আসামিরা আল আমিনকে মারধর করে এবং দুই লাখ টাকা চাঁদা আদায় করে। তবে এরা তাকে হত্যা করেছে কি না বলতে পারব না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নাভারন এলাকার জনৈক এক ব্যক্তি বলেন, শার্শার বিএনপির রাজনীতির একজন শীর্ষ নেতার আশির্বাদ পুষ্ট ওই তিনজন। তিনি আরো বলেন ওই নেতা শার্শা থানায় তাদের আটক হওয়ার পর ছাড়ানোর জন্য নিজেই থানায় গিয়েছিলেন। পুলিশের জোর ভুমিকার জন্য শেষ পর্যন্ত তদন্তে বিঘ্ন ঘটাতে পারেনি এবং থানা থেকে ছাড়িয়ে নিতে ও ব্যার্থ হয়ে ফিরে যান।

শার্শা থানা ওসি (তদন্ত) শাহ আলম বলেন, আলামিন হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে আটক তিনজনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আলাউদ্দিন আলা, সেলিম ও লালন এর সম্পৃক্ততা থাকার কারনে তাদের যশোর আদালতে পাঠানো হয়েছে। আলামিন হত্যাকান্ডে থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে । মামলা নং ১৩ তারিখ ২০/০২/১৬।

উল্লেখ্য গত ১৯ তারিখ রাতে তারাবির নামাজ পড়ে বাড়ি ফেরার পথে আলামিনকে দুবৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *