হাকিকুল ইসলাম খোকন, আমেরিকা : ক্যাপাসিটি চার্জ হলো একটি প্রকল্পের মূলধনী ব্যয়, অর্থাৎ Fixed Cost। যত বড় প্রকল্প, তত বেশি তার মূলধনী ব্যয় এবং স্বাভাবিকভাবে সেই প্রকল্পের সুবিধাভোগী মানুষও তত বেশি। মূলধনী ব্যয় ছাড়া কোনো প্রকল্প হয়?
সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের
কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য এমএ আরাফাত বলেছেন,ভাই, হিসাব সহজ: আপনি যত বেশি মানুষকে বিদ্যুৎ দিতে চাইবেন, তত বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে হবে। কাজেই তত বড় বিদ্যুৎ প্রকল্প হাতে নিতে হবে। আর যত বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র হবে, তত বেশি খরচ হবে, তত বেশি মূলধনী ব্যয় হবে, তথা তত বেশি ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হবে।
আপনি বিদ্যুৎ চাইবেন, কিন্তু বিনিয়োগ করবেন না, ক্যাপাসিটি চার্জ দেবেন না, দুটোই একসঙ্গে হবে না। বিশ্বের কোনো দেশেই এমন হয়নি। পৃথিবীর যেসব দেশ যত বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করে তাদের জনগণকে সরবরাহ করেছে, তারা তত বেশি ক্যাপাসিটি চার্জ বাবদ খরচ করেছে। এটিই বাস্তবতা।
ক্যাপাসিটি চার্জ তথা মূলধনী ব্যয় নিয়ে যে মূর্খরা প্রশ্ন তোলে, তাদের তিনটি চ্যালেঞ্জ দিচ্ছি:
(১) বাংলাদেশের যত বিদ্যুৎ প্রকল্প আছে, সরকারি ও বেসরকারি সবগুলোর ক্যাপাসিটি চার্জ দেওয়া বন্ধ করে দিন এবং প্রকল্পগুলো চালু রাখুন।
(২) পৃথিবীর যেকোনো দেশে এমন একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র দেখান, যেখানে ক্যাপাসিটি চার্জ তথা মূলধনী ব্যয় হয় না।
(৩) আপনারা একটি বিদ্যুৎ প্রকল্প করে দেখান, যেখানে ক্যাপাসিটি চার্জ তথা মূলধনী ব্যয় হবে না।
উপরের তিনটি চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে তারপর ক্যাপাসিটি চার্জ নিয়ে কথা বলতে আসুন।
একটি বিদ্যুৎ প্রকল্পের ক্যাপাসিটি চার্জ হলো সেই প্রকল্পের মূলধনী ব্যয় তথা Fixed Cost। এটি যেকোনো বিদ্যুৎ প্রকল্পের অবিচ্ছেদ্য অংশ।