মো: আনিছুর রহমান, বেনাপোল প্রতিনিধি: তপ্ত রোদে দীর্ঘণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের জন্য অত্যান্ত কঠিন । দেশের প্রায় সব জায়গায় লক্ষ করা যাচ্ছে বর্তমানের প্রচণ্ড গরমে তেল পাম্পগুলোতে মোটরসাইকেল চালকদের দীর্ঘ লাইন থাকে। সেখানে রোদে পুড়ে পিপাসায় কাতর হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক।যার কারনে বেনাপোল মিলন এন্ড সন্স ও বেনাপোল ফিলিং ষ্টেশনে মোটর সাইকেলে তেল নিতে ঘন্টার পর ঘন্টাা দাড়িয়ে থাকা মোটর সাইকেল চালকরা পিপাসায় কাতর হওয়ার দৃষ্টি গোচর হয় যশোর জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক ইমাদাদুল হক ইমদার। তিনি এ উপলক্ষে ওইসব মোটর সাইকেল চালকদের নিজ উদ্যেগে সরবত পান করান। এটি একটি অত্যন্ত মানবিক এবং প্রশংসনীয় উদ্যোগ।
শনিবার বেলা সাড়ে ১১ টার সময় বেনাপোল Ñ যশোর মহাসড়কের উপর দাড়িয়ে থাকা মোটরসাইকেল চালকদের তিনি এর সরবত পান করান। এসময় ইজিবাইক ও ভ্যান চালকরাও এসে শরবত পান করেন।
এ বিষয় তরুন নেতা ইমদা বলেন, রোদে দীর্ঘণ দাঁড়িয়ে থাকলে হিটস্ট্রোক বা পানিশূন্যতার ঝুঁকি থাকে। ঠান্ডা শরবত পান করানোর মাধ্যমে মানুষের শারীরিক কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব হয়। সে কথা ভেবে আমি আমার এলাকার পাম্পে এই উদ্যেগ গ্রহন করি।
যুবদল নেতা মফিজুর রহমান পিন্টু বলেন,এ ধরনের কাজ সমাজের অন্যান্য সামর্থ্যবান ব্যক্তিদেরও জনকল্যাণমূলক কাজে উদ্বুদ্ধ করবে। এটি একটি মহৎ কাজ। রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত সেবার মূল ল্য হওয়া উচিত।
ভবেরবেড় ৬ নং ওয়ার্ড এর বাসিন্দা শ্রমিক নেতা হান্নান বলেন এই গরমে রৌদ্রে দাড়িয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা দাড়িয়ে দীর্ঘ সময় রাস্তায় থাকছেন তেলের জন্য মোটরাসাইকেল চালকরা। তখন তারা তৃষ্ণায় পানির জন্য এদিক ওদিক তাকাতে থাকে। তাদের জন্য নিরাপদ পানি এবং এই ধরণের সুপেয় শরবত সত্যিই বড় একটি স্বস্তি। ইমদাদ এর মত অন্যদেরও উচিত নিজ নিজ অবস্থান থেকে এই প্রচণ্ড গরমে সাধারণ মানুষের সেবায় এগিয়ে আসা। এসময় শ্রমিক নেতা হান্নান আরো বলেন, ঈদুল ফিতরের সময় এই নেতা মিডিয়ার চোখ এড়িয়ে ১৫ শত অসহায় দুস্থ পরিবারের মধ্যে ঈদ উপহার সামগ্রী ও নগদ অর্থ প্রদান করেছেন। তিনি সব সময় এলাকার অসহায় গরীব দু:খী ও গরীব শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে সেবা করেন। এছাড়া কন্যাদায় গ্রস্থ অভিভাবকদের পাশে থেকে তিনি তার সাধ্যমত সাহয্য প্রদান করে থাকেন।