বেনাপোল প্রতিনিধি: বেনাপোল পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের গাজীপুরে নির্বাচনী প্রচারণার দ্বিতীয় দিনে নিবিড় গণসংযোগ চালিয়েছেন মেয়র পদপ্রার্থী যশোর জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক ও শার্শা উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ইমদাদুল হক ইমদাদ। এ সময় তিনি এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের খোঁজখবর নেন এবং স্থানীয় উন্নয়ন ও নাগরিক নানা ভোগান্তির কথা শোনেন।
গণসংযোগকালে স্থানীয় বাসিন্দারা গাজীপুর ও নামাজগ্রামের মধ্যবর্তী সীমানায় অবস্থিত ‘হাকর’এর দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা তুলে ধরেন। তারা জানান, দীর্ঘদিন হাকরটি পরিষ্কার না করায় সামান্য বৃষ্টিতেই পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হয় এবং এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এর ফলে বর্ষা মৌসুমে স্থানীয় অধিবাসীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। অতিদ্রুত হাকরটি পরিষ্কার করে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ নিশ্চিত করার দাবি জানান সাধারণ মানুষ।
বাসিন্দাদের বক্তব্য শুনে মেয়র পদপ্রার্থী ইমদাদুল হক ইমদাদ বলেন, “জনগণের মৌলিক চাহিদা ও সমস্যাকে প্রাধান্য দিয়েই পৌরসভার মূল উন্নয়ন পরিকল্পনা সাজানো উচিত। সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে যাওয়ার মূখ্য উদ্দেশ্য হলো তাদের বাস্তবমুখী সমস্যাগুলো সরেজমিনে জেনে টেকসই সমাধানের পথ খোঁজা।”
তিনি স্থানীয়দের আশ্বস্ত করে জানান, গাজীপুর ও নামাজগ্রামের মধ্যবর্তী হাকরের পরিচ্ছন্নতা ও পানি নিষ্কাশন সংকটকে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন। সমস্যাটি দ্রুত সমাধানে বেনাপোল পৌরসভার বর্তমান প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা করে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
ইমদাদুল হক ইমদাদ আরও বলেন, “এলাকার উন্নয়ন কেবল রাস্তাঘাট বা ভৌত অবকাঠামো নির্মাণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। নাগরিকদের স্বাস্থ্যকর ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করতে পানি নিষ্কাশন, পরিচ্ছন্নতা এবং পরিবেশগত সুফল নিশ্চিত করা সমভাবেই জরুরি। জনগণের সুচিন্তিত মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে পর্যায়ক্রমে পৌরসভার সকল নাগরিক সমস্যা সমাধান করা হবে।”
প্রার্থীর এমন ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সাধারণ বাসিন্দারা। তারা জানান, জনপ্রতিনিধিরা সরাসরি এসে সমস্যা শুনে সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় তারা আশাবাদী। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত এ হাকরটি পরিচ্ছন্ন হলে এলাকার একটি বড় সামাজিক দুর্ভোগের অবসান ঘটবে।
গণসংযোগকালে মেয়র প্রার্থী ইমদাদুল হক স্থানীয়দের আশ্বস্ত করে জানান, ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে পরামর্শ গ্রহণ এবং পৌরসভার উন্নয়ন নীতিমালায় সাধারণ মানুষের চাহিদাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া হবে।