“দিদির সাথে কথা” কবি- মুকুল
#################
-ঃকবি- মুকুল কুষ্টিয়াঃ-
ও দিদি ভাই চলনা যাই
ঐ চাঁদের দেশে
সেথায় নাকি চুপটি করে
মা থাকে বসে।
মাস বছর চলে গেলো
মা ডাকেনা আমায়
চলনা দিদি মায়ের কাছে
আমরা দুজন যায়।
মা আমায় কতো ডাকতো
বলতো সোনা মনি
এখন কেনো আমায় ডাকেনা
বলতো দিদি শুনি?
মায়ের হাতের পরশ যখন
লাগতো আমার গায়ে
তখন আমার মনে হতো
জড়ায়ে ধরি মা-য়ে ।
ও দিদি ভাই চলনা যায়
দেখবো মায়ের মুখ
মায়ের মুখটি দেখলে আমার
যাবে সকল দুখ।
মায়ের গায়ের গন্ধ আমি
আজও পাই নাকে
মায়ের মুখের ছবি এখনো
ভাসে আমার চোখে।
শীতকালেতে মায়ের হাতের
পিঠা খেতাম যখন
মনে হতো অমৃত সুধা
পান করতাম তখন।
সারা বাড়ি ঘুরি ফিরি
পাইনি মায়ের দেখা
সব জায়গায় জড়ায়ে আছে
মায়ের পরশ মাখা।
ও দিদি ভাই আমার জানা নাই
মায়ের ভালোবাসা
কাহারো সঙ্গে তুলনা হয়না
ভাবলে দুরাশা।
মাকে কিছু খেতে দিলে
মা বলতো আমায়
তুই খেলেই আমার খাওয়া হয়
কেমনে দিদি ভাই?
হঠাৎ একদিন আমার গায়ে
জ্বর আসলো রাতে
সারাটি রাত জেগে থাকলো
মা আমার সাথে।
প্রভুর দরবারে আরাধনা করলো
বললো প্রভুকে ডেকে
হে দয়াময় তুমি কি কখনো
আমায় দেখোনা চোখে।
ছোটকালে বিছানাতে আমি
যখন থাকতাম শুয়ে
আমাকে রাখতো শুকনা জায়গায়
ভেজাতে থাকতো মা-য়ে।
খোদার পরেই মায়ের ভালোবাসা
সর্বদা বলি আমি
আমার মাকে ভালো রেখো
হে জগতস্বামী।