কালের সংবাদ খেলার ডেস্কঃ ২০১৯ এ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কর্তারা চেয়েছিলেন পেস সহায়ক উইকেটেই খেলা হবে আফগানদের বিপক্ষে। চট্টগ্রামে সেই ভাবেই তৈরি হচ্ছিল উইকেট।
কিন্তু সেই সময় অধিনায়ক সাকিব আল হাসান রাতারাতি বদলে দিলেন সব। তার ইচ্ছায় বানানো হলো স্পিন সহায়ক উইকেট। ফলাফল যা হবার তাই, নিজেদের মনের মতো পিচ পেয়ে আফগানরা টাইগারদের হারিয়ে নিজেদের প্রথম জয় দিয়ে স্মরনীয় করে রাখলো। চার বছর পর আবারো টেস্টে মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল। আগামী ১০ই জুন ঢাকায় আসবে আফগানিস্তান দল।
১৪ই জুন শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে শুরু হবে একমাত্র টেস্ট ম্যাচ। এবারও আলোচনায় উইকেট।
আমরা আসলে কেমন উইকেট চাই, কেমন উইকেটে খেলতে চাই, সেটা আমাদের কাছেই থাকুক। কারণ, অবশ্যই কোনো খেলার আগে তো আমরা ডিসক্লোজ করবো না। মিরপুরের উইকেট কেমন হতে পারে না পারে, সেটা সম্বন্ধে আমাদের খুব ভালো ধারণা আছে। সেভাবেই আমাদের মনের মতো করে উইকেট তৈরি করা হচ্ছে।’
এবার সাকিব আল হাসান দলে নেই। ইংল্যান্ডে আইরিশদের বিপক্ষে খেলতে গিয়ে আঙুলে চোট পান সাকিব। এরপর ছিটকে গেছেন মাঠ থেকে এক মাসের জন্য। যে কারণে আফগানদের বিপক্ষে এবারের টেস্ট খেলা হচ্ছে না টাইগারদের নিয়মিত অধিনায়কের। সাকিব না থাকায় প্রভাবও পড়বে দলে এটা বলার অপেক্ষা রাখে না। বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডারের অভাব পূরণ করা মোটেও সহজ নয়। হাবিবুল বাশার তা স্বীকারও করে নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘সাকিব না থাকলে একটা প্লেয়ার কমে যায়। আর সে থাকলে যেটা হয় আরকি ইনফ্যাক্ট, সাকিব থাকলে একটা বাড়তি সুবিধা পাই।
হয় আমরা একটা বাড়তি ব্যাটার নিয়ে খেলতে পারি অথবা একজন বোলার বেশি নিয়ে খেলতে পারি।
বিশ্ব ক্রিকেটে খুব কম ক্রিকেটারই আছেন যারা ব্যাটিং-বোলিং করে দলে আসতে পারে। সাকিবের ব্যাটিং-বোলিং আমরা মিস করব।’ তবে সাকিব না থাকলেও নিজেদের স্পিন বিভাগকে দুর্বল ভাবতে চান না জাতীয় দলের এই নির্বাচক। তিনি বলেন, ‘সাকিবের বোলিং তো বাংলাদেশ ডেফিনেটলি মিস করবে। বাট সে ছাড়া তাইজুল আছে, মিরাজ আছে, তারাও কিন্তু যথেষ্ট ভালো বল করে টেস্ট ম্যাচে। আমাদের ফাস্ট বোলিং ডিপার্টমেন্টটা অনেক রিচ। সো আমাদের যে রকম দরকার, টিম অনুযায়ী কিন্তু ওইরকম সিদ্ধান্ত নিতে পারি। সো সেটা নিয়ে অনেক আগেই চিন্তা ভাবনা হয়ে গেছে।