কালের সংবাদ আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ মার্কিন ভিসায় কড়াকড়ি আরোপ করে জারি করা স্বতন্ত্র নীতির কথা জানানো হয় বাংলাদেশকে।
বিশ্বব্যাংকের সদর দপ্তরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরসঙ্গী হিসেবে সমুদয় কর্মসূচি শেষে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন স্টেট ডিপার্টমেন্টে ওই পার্টনারশিপ বৈঠকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
তাতে মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন আন্ডার সেক্রেটারি ভিক্টোরিয়া নুল্যান্ড। প্রতিনিধিদলে ছিলেন এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ডনাল্ড লু’সহ অন্য কর্মকর্তারা।
সেগুনবাগিচার দাবি পার্টনারশিপ বৈঠকের সাইড লাইনে অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় বাংলাদেশকে বিষয়টি জানানো হয়। এ নিয়ে আনুষ্ঠানিক বা দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়নি। কারণ এটি আলোচনায় নয় বরং একতরফাভাবে মার্কিন নীতি হিসেবে প্রণীত, যা বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক উদ্বেগের প্রেক্ষিতে খড়্গ হয়ে দেখা দেয়।
২০২১ সালে স্টেট ডিপার্টমেন্টের তরফে কঠোর ওই ভিসা নীতি আরোপ শুরু হয়। এ পর্যন্ত নাইজেরিয়া এবং সোমালিয়ায় এটি কার্যকর হয়েছে। দুর্ভাগ্য, তৃতীয় দেশ হিসেবে বাংলাদেশের জন্য এটি প্রয়োগ করলো ডেমোক্রেটিক বাাইডেন প্রশাসন। অবশ্য পরপর দুটি গণতন্ত্র সম্মেলনে বাংলাদেশের আমন্ত্রণ না জানানো এবং ২০১৪ এবং ২০১৮ সালের নির্বাচন নিয়ে ধারাবাহিকভাবে প্রশ্ন উত্থাপনের প্রেক্ষাপটে ‘খড়্গ’ নামার আশঙ্কা করছিলেন বিশ্লেষকরা।