বেনাপোল প্রতিনিধি: যশোরের বেনাপোল পোর্ট থানাধীন কাগজপুকুর গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ঘর নির্মাণে বাধা ও হামলার ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও পুলিশের নিষ্কিৃয়তার অভিযোগ উঠেছে। গত ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে সংঘটিত এই সহিংস হামলায় দুইজন গুরুতর আহত হলেও পুলিশ এখনও ঘটনাস্থল পরিদর্শন না করায় বিচারপ্রার্থী পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে।
লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাগজপুকুর গ্রামের বাসিন্দা জালাল মিয়া মো. হযরত আলী ও তার শ্যালক মো. আলমগীর হোসেনের সাথে প্রতিবেশী মোকেলেছ ও তার লোকজনের দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এরই জের ধরে গত ৬ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নিজ জমিতে ঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে মো. কাশেম, আকতার, ইয়ারুল, সদু, নাজমুল, মোজাম্মেল, মোকলেছ, মোস্তাক ও রাব্বিসহ একদল ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র, হকিষ্টিক, চাকু ও লাঠিসোটা নিয়ে তাদের বসতবাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে।
এ সময় হামলাকারীরা হযরত আলী ও তার শ্যালক আলমগীর হোসেনকে এলোপাতাড়ি মারপিট করে গুরুতর জখম করে। অভিযুক্তদের চাকুর আঘাতে আলমগীরের পা ও কোমরে কাটা জখম হয় এবং লাঠির আঘাতে তার ঘাড়সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে থেতলানো জখম ও নীলাফেলা দাগ সৃষ্টি হয়। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়। পরে আহতদের উদ্ধার করে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে (নাভারণ) ভর্তি করা হয়।
চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে ভুক্তভোগী মো. হযরত আলী বেনাপোল পোর্ট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও পুলিশ এখনো ঘটনাস্থলে যায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, প্রভাবশালী মহলের প্রভাবে পুলিশ কার্যকর পদপে না নেওয়ায় অভিযুক্তরা বাদীপকে নির্মাণকাজ বন্ধ রাখতে প্রতিনিয়ত হুমকি দিচ্ছে। ভুক্তভোগি পরিবারের প্রবাসী জালালের স্ত্রী বলেন আমি আমাদের জায়গায় ঘর বাধতে গেলে সরাসরি ওই সকল লোকজন এসে আমাদের কাজে বাধা দেয় এবং আমাদের পরিবারের আলমগীর (৪০) ও হযরত আলী (৬৭ কে মারধর করে। আমরা হাসপাতালকে থেকে চিকিৎসা শেষে থানায় অভিযোগ দায়ের করলে ও এখন ও কোন পুলিশ ঘটনাস্থলে আসেনি। এদিকে আমাদের নির্মান সামগ্রী নষ্ট হয়ে যাচ্ছে রোদ বৃষ্টিতে।
এই পরিস্থিতিতে ন্যায়বিচার ও নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত প্রশাসনের জোরালো হস্তপে কামনা করছি আমরা।
এ বিষয় নিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার্জ ইনচার্জ আশরাফ হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি প্রথম দিনে বলেন বিষয়টি রাশেদ সাহেবের কাছে তদন্তর জন্য রয়েছে তাকে ফোন দেন। রাশেদ সাহেবকে ফোন দিলে তিনি ছুটিতে আছেন বলে জানায়। রাশেদ সাহেব জয়েন করার পর আবার ওসি সাহেবকে আজ ফোন দিলে বলেন আমি রাশেদ সাহেবকে পাঠাচ্ছি।
এরপরও কেউ যায়নি বলে ভুক্তভোগি পরিবারের অভিযোগ।