মোহাম্মদ আককাস আলী, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি : নওগাঁর মান্দায় বালতির পানিতে ডুবে তিন বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দা ও স্বজনদের মধ্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। বুধবার (২৯ জুলাই) সকাল আটটার দিকে উপজেলার গনেশপুর ইউনিয়নের কাঞ্চন গ্রামের আলোক দুয়ারপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশুর নাম সোয়াদ খাঁ। সে ওই গ্রামের শরিফ উদ্দিন খাঁর ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন মাস ধরে সোয়াদ ও তার বড় ভাই সৌরভ বাবার দ্বিতীয় স্ত্রী মারুফা আক্তারের তত্ত্বাবধানে ছিল। বুধবার সকালে শিশুটির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে প্রতিবেশী ও স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্নের জন্ম দেয়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, সকালে শিশুটির বাবা শরিফ উদ্দিন ও দাদা শুকুর আলী খাঁ ব্যবসার কাজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। বড় ভাই সৌরভ তখন ঘুমিয়ে ছিল। ওই সময় বাড়িতে ছিলেন শুধু সৎমা মারুফা আক্তার। এমন পরিস্থিতিতে কীভাবে শিশুটি বালতির পানিতে ডুবে মারা গেল, তা নিয়ে কৌতূহল ও সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান তারা।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মারুফা আক্তার বলেন, সকালে খালের পাড়ে পাটকাঠি শুকানোর কাজ শেষে বাড়িতে ফিরে তিনি শিশুটিকে বালতির পানিতে ডুবে থাকতে দেখেন। পরে তাকে তুলে হাত-পায়ে তেল মালিশ করে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
মান্দা থানার ওসি খোরশেদ আলম জানান, এ ঘটনায় শিশুটির বাবা একটি অপমৃত্যুর মামলা করেছেন। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। সবদিক বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।