মোঃ আনিছুর রহমান, বেনাপোল প্রতিনিধিঃ
আসন্ন উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শার্শায় চলছে চুলচেরা বিশ্লেষন। এবার দলীয় প্রতিক না থাকায় কেউ দলীয় একক প্রার্থী না হলেও এই আসনে ধরে নেওয়া হয়েছে শীর্ষ জনপ্রতনিধির আশির্বাদপুষ্ট প্রার্থীকে।
তিনি যাকে সমর্থন দিবেন সেই দলীয় প্রার্থী এমনটি গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে শার্শা উপজেলা নির্বাচনে। দীর্ঘ পরিক্ষীত নেতারা শীর্ষ জনপ্রতীনিধির খামখেয়ালী সমর্থনে কিছুটা প্রথম দিকে কোন ঠাসা থাকলেও এখন তাদের মধ্যে কেউ কেউ মাঠ দখল করে নিয়েছে প্রতিদ্বন্দিতা মুলক নির্বাচনে। এর মধ্যে এগিয়ে আছে শার্শা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি অহিদুজ্জামান অহিদ।
সাধারন ভোটাররা মনে করে উপজেলা নির্বাচনে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এবং উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সিরাজুল হক মঞ্জু ছিলেন একজন যোগ্য ও সকলের গ্রহন যোগ্য প্রার্থী। তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহন না করায় তার জায়গা দখল করেছে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি অহিদুজ্জামান অহিদ। কারন, যিনি শীর্ষ নেতার আশির্বাদপুষ্ট হিসাবে নির্বাচনে অংশগ্রহন করেছেন তিনি মুলত ছিলেন বিএনপির একজন সক্রিয় রাজনৈতিক কর্মী। নিজের আখের গোছাতে সুযোগ সন্ধানী এই নেতা বর্তমান উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক সোহরাব হোসেন আওয়ামীলীগে যোগদান করে অনেক অর্থবিত্ত বৈভবের মালিক বনে গেছেন। তার নামে অস্ত্র মামলা সহ আওয়ামীলীগের তৎকালিন কৃষি মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর জনসমাবেশের নাভারন এর মঞ্চ ভাংগা, অগ্নিসংযোগের মত অপরাধ মুলক কর্মকান্ড রয়েছে। তাকে উপজেলা নির্বাচনে জয়ী করলে শার্শায় সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বেড়ে যাবে বলে অনেকের ধারনা।
শার্শা উপজেলা নির্বাচনকে ক্দ্রে করে ইতিমধ্যে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সিরাজুল হক মঞ্জু ও উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক ইব্রাহীম খলিল এর বাড়ি ককটেল বিস্ফোরন ঘটিয়েছে। এই দুই ব্যক্তি শার্শা উপজেলায় রাজনীতিতে পরিচ্ছন্ন বলে গুঞ্জন রয়েছে। এই দুইজনের বাড়ি বোমা বা ককটেল হামলার মদদদাতা ও সোহরাব বলে বাতাসে গুঞ্জন ছড়িয়েছে। নাভারন এলাকায় একাধিক প্রার্থী হওয়ায় নিজেদের মধ্যে রাজনৈতিক মতদ্বন্দ দেখা দেওয়ার একক আধিপত্য বিস্তারের জন্য যুবলীগের ওই নেতা নিজের ক্ষমতা জাহের করার জন্য পিছনের দরজা দিয়ে অপকর্ম করার সুযোগ নিচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে শার্শার একাধিক আওয়ামী কর্মী বলেন, শার্শা উপজেলা নির্বাচনে মাঠে ময়দানে থাকা জামাত বিএনপির বিরুদ্ধে মাঠকাঁপানো একমাত্র নেতা অহিদুজ্জামান অহিদ। তিনি দীর্ঘদিন যাবত ত্যাগ শিকার করে মাঠ পর্যায়ে আওয়ামীলীগের সকল সংগঠনকে চাঙ্গা করে রেখেছে। এছাড়া তিনি বিরোধীদের অপকর্ম নাশকতা ঠেকাতে দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামে নিজে মাঠে থেকেছেন কর্মীদের নিয়ে। সুতারং পরীক্ষিত এই নেতাকে এবার নির্বাচন করে শার্শা বাসিকে খেদমত করার সুযোগ দিতে হবে।