বাংলাদেশে পাতানো নির্বাচনে ইন্জিনিয়ারিং,ভোট পরবর্তী ভয়াবহ পরিস্থিতি ডঃ ইউনুস রাষ্ট্রপতি, অতঃপর মার্কিন ঘাঁটি স্হায়ী করনের বন্দোবস্ত পাকাপোক্ত!–রুনু হাসান, বাংলাদেশ

হাকিকুল ইসলাম খোকন, প্রতিনিধি আমেরিকা :  ১২ ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের নির্বাচনে ইলেকশন ইন্জিনিয়ারিং, পরবর্তী ভয়াবহ পরিস্হিতি ডঃ ইউনুস রাষ্ট্রপতি, অতঃপর মার্কিন ঘাঁটি স্হায়ী করনের বন্দোবস্ত পাকাপোক্ত করেছে অবৈধ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার! যার ফলে সারাদেশে পাকিস্তানি আই, এস,জঙ্গি গোষ্ঠীর সদস্যরা গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিতব্য এই নির্বাচনে বাংলাদেশের মুক্তি যুদ্ধ ও স্বাধীনতা বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীকে একক সংখ্যা গরিষ্ঠ বিজয়ী দল হিসাবে,, ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করতে তথা কথিত ভোটের সকল স্তরে সেটাপ বিদ্যমান! এ,দিকে অতিতে বি,এন,পি নামক রাজনৈতিক দলটির ক্ষমতার অংশীদার জামায়াত ইসলাম এই নির্বাচনে তলে তলে বি,এন,পিকে ডিগবাজি দিয়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল পাকাপোক্ত করে রেখেছে। যার দরুন বাংলাদেশের বর্তমান প্রশাসনে ৬৪ ডিসির মধ্যে ৩৩ ডিসি জামায়াতের মাএ ১৩ জন বি,এন,পির এই তথ্য প্রকাশ করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক সাংবাদিক মাসুদ কামাল ও গোলাম মাওলা রনি। অপর দিকে সারাদেশে ৬৪ এস,পির ম্যাজোরেটি জামাত পন্থী এরকম কথা অনলাইন এ্যাকটিভিট পিনাকী ভট্রাচার্য প্রকাশ করেছে! এছাড়া বাংলাদেশের সেনাবাহিনী সহ সকল প্রশাসনিক বাহিনী কে ইতোমধ্যে জামায়াতে ইসলামীকে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করার মতো করে সাজিয়েছেন অবৈধ ইউনুস সরকার।।

এ,দিকে গত ৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ওয়াকারুজ্জামান তিন বাহিনী প্রধানদেরকে সাথে নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ( ইসি) এ, এম এম নাসির উদ্দিন এর সাথে সাক্ষাৎ করে প্রায় দুই ঘন্টা রুদ্ধদার বৈঠক করেন। যাহা মিডিয়াতে ওই অফিসে তিনি সকল বাহিনী প্রধানদের সাথে নিয়ে যাচ্ছেন, এই টুকুন প্রকাশ হলে ও ওই বৈঠকে নির্বাচন সংক্রান্ত বা দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে কি কথা বা সিদ্ধান্ত হয়েছে তাহা সম্পূর্ণ অপ্রকাশ্য!! এছাড়া তথাকথিত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনের বাকি মাএ ৪৮ ঘন্টা। নির্বাচন কেন্দ্রীক ১১ তারিখ থেকে ৪ দিনের ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছুটি থাকায় রাজধানী ঢাকা সহ সকল বড় বড় শহর থেকে কর্মজীবী মানুষ গ্রামের বাড়ি ফিরছে। এ রকম গ্রামের বাড়িতে আগুন্তকঃ মানুষ বা ভোটারদের সাথে ভোট দিতে এসেছেন কিনা জানতে চাহিলে বলেন, লম্বা ছুটি পেয়েছি তাই এলাকায় বা বাড়ি আসলাম। তবে ভোট দেয়া নিয়ে জানতে চাহিলে অনেকেই একই কথা বলছেন, কিসের ভোট ডঃ ইউনুস বাংলাদেশ আমেরিকার কাছে বিক্রি করে ফেলেছে এবং স্বাধীনতার ও মুক্তিযুদ্ধের জাত শত্রু জামায়াতে ইসলামীকে জোর করে ক্ষমতায় বসাচ্ছে।

যাহা ভাবতেও কষ্ট হচ্ছে এরকম কথা বহু মানুষের মুখে মুখে! নাম প্রকাশ না করার স্বার্থে অনেক নাগরিক ভোটাররা এমন কথা ও বলছেন ১৯৭১ এর মুক্তি যুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সহ স্বাধীন সার্বভৌমত্বের পক্ষের কোন রাজনৈতিক দল ২০২৬ এর ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখে নির্বাচনে অংশ গ্রহন নাই। এমন কি নির্বাচনের ব্যালটে স্বাধীনতার প্রতীক নৌকা নেই। তাই আমরা ভোট দেবো কাকে,, বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের জাত শত্রু ইসলামের নাম বিক্রি করে রাজনীতির নামে দেশের রাষ্ট্র ক্ষমতা দখলকারীদেরকে আমারা ভোট দেবো না এবং ভোট কেন্দ্রের আসে পাশে ও না যাওয়ার কথা মতামত প্রকাশ করছেন বাংলাদেশের ভোটাররা।। মানুষ শংকাজনক অবস্থায় আছে যে, নির্বাচন পরবর্তী মারাত্বক ভয়াবহ পরিস্থিতি ঘটাবে জামায়েত ইসলামী ও দেশের অভ্যন্তরে অবস্হানে থাকা জামায়াত শিবির, পাকিস্তানি আই এস জঙ্গি গোষ্ঠীর সদস্যরা। কারন মানুষ জনের কথা হলো জামায়াতকে উদ্দেশ্য করে- তাদের মূলতঃ পাঁচ পার্সেন্ট ভোট আছে বাংলাদেশে। অপর দিকে বি,এন,পির ৩৮ পার্সেন্ট ভোটার, কর্মী সমর্থক থাকা অবস্হায় ডঃ ইউনুস গং সহ জামায়াতে ইসলামীকে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করলে বি,এন,পির ওই ৩৮ পার্সেন্ট ভোটার বা মানুষ তাহা কখনো মেনে নিবেনা। নির্বাচন পরবর্তী তখনি শুরু হবে সংগাত সহিংসতা সারা বাংলাদেশ ব্যাপী। তখন পূরো বাংলাদেশ নিশ্চিত গৃহ যুদ্ধ তথা সিভিল ওয়ার এর অবস্থানে চলে যাওয়ার আশংকা করছেন বাংলাদেশের মানুষজন ও ভোটাররা। তাই সারাদেশে মানুষের মাঝে অজানা ভয় ও শংকা মানুষের চোখ মুখে পরিলক্ষিত হচ্ছে।।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *