অবৈধ ইটভাটায় পুরছে কাঠ ভোগান্তিতে হাজার ও মানুষ!

সানাউল হক (বাউফল -পটুয়াখালী): বাউফল থানার বাহেরচর বাজারে পার্শ্ববর্তী  বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ থানার রোকনউদ্দিন গ্রামের আইনের তোয়াক্কা না করে ও পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়া ফসলি জমিতে গড়ে তোলা হয়েছে ইটভাটা। এতে স্বাস্থ্য ঝুঁকির পাশাপাশি চরম ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে পরিবেশ।একইসঙ্গে উজাড় হচ্ছে বন ও ফসলি জমি। বছরের পর বছর এভাবে চললেও মাথা ব্যথ্যা নেই প্রশাসনের।আশপাশের বাসিন্দারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
পোরান হচ্ছে প্রতি দিন হাজারের হাজর টন কাঠ  ফলে উজাড় হচ্ছে বিপুল পরিমাণ ফলজ, ঔষধিসহ নানা প্রজাতির গাছ। লোকালয়ে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাছাকাছি বাহেরচর বাজারের শার্দূল কিন্ডার গার্ডেন এ ছাড়াও  গ্রামের ফসলি জমির বড় একটি অংশের উপর (৪ থেকে ৫ টি) নির্মিত ইট ভাটা পোড়ানো হচ্ছে পুরোদমে।
ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন নিয়ন্ত্রণ আইন ২০২২ তে বলা আছে, ‘আবাসিক এলাকা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাট-বাজার ও ফসলি জমির এক কিলোমিটারের মধ্যে ইটভাটা স্থাপন করা যাবে না। ‘ কিন্তু কাগজের নিয়মনীতির সঙ্গে বাস্তবের চিত্রের মিল পাওয়া যায়নি।
ফরিদপুর  ইউনিয়নের রোকনউদ্দিন গ্রামে দেখা গেছে, এলজিইডির রাস্তার পাশেই বিশাল ফসলি জমি দখল করে গড়ে উঠেছে (৩ থকে ৪ টি)  ব্রিকস ইটভাটা। সকাল-বিকেল দেদারছে চলছে ইট পোড়ানোর কাজ। এ সব ভাটা গুলোর প্রতিটি ভাটায় প্রায় দুই শতাধিক শ্রমিক কাজ করছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই এলাকার কয়েক জন কৃষক বলেন, এই অবৈধ ইটভাটার কারণে এ এলাকার ফসলি জমি ব্যাপক হুমকির মুখে পড়েছে আশপাশের বসতবাড়ির গাছপালা মরে যাচ্ছে। এলাকায় শিশু থেকে বৃদ্ধ প্রায় মানুষের মধ্যে শ্বাসকষ্ট রোগ দেখা দিয়েছে। কিন্তু ভাটার মালিকরা  খুব প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ প্রতিবাদ করতে পারছেন না।
তাছাড়া এর আগেও কয়েকবার ভাটা মালিককে নামমাত্র জরিমানা করেই দায় সেরেছেন প্রশাসন।
এসব বিষয়ে ইটভাটার মালিক সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *