কালাইয়ে ভোরের কুয়াশা জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা

মোঃ মোকাররম হোসাইন জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি: আগের আমলে প্রচলিত ছিল “আশ্বিনে গা করে শিন শিন।”এবার আশ্বিনে গা শিন শিন না করলেও কার্তিকের শুরুতেই শীতের আমেজ লক্ষণীয়।
রাতের ঘন কুয়াশা ও ভোরে ঘাসের ডগায় শিশির বিন্দু জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা।উত্তরের জনপদ জয়পুরহাটে কালাইয়ে শীতের আগমন শুরু হয়েছে।গত কয়েকদিন ধরেই দিনের বেলায় কিছুটা গরম অনুভূত হলেও সন্ধ্যা নামার পর একটু একটু করে কুয়াশা জড়িয়ে ধরছে প্রকৃতিকে।সকালেও দেখা গেছে সেটি।এতে হালকা শীতের অনুভূতি জাগিয়ে দিয়েছে।ভোর থেকেই দেখা মিলছে ঘন কুয়াশার।প্রকৃতি সাজতে শুরু করছে নতুন সাজে। ধানের পাতায়,ঘাসের ডগায় জমতে শুরু করেছে শিশির বিন্দু।সূর্যের আলোতে মুক্তোর দানার মত চকচক করে সৃষ্টি করে এক অপরুপ সৌন্দর্য।
শীতের এই অনুভূতি উপভোগ করতে ইতোমধ্যে রূপসী বাংলার ঘরে ঘরে তুলে রাখা পাতলা কাঁথা আর চাদর কম্বল স্থান পেতে শুরু করেছে খাট চৌকিতে।
সরেজমিন দেখা যায় যে,কালাই উপজেলায় শীতকালীন সবজি চাষে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন চাষীরা।এ উপজেলার আশপাশের এলাকাও কৃষিনির্ভর পরিবারের কৃষকরা জমিতে গিয়ে দিনরাত হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।কুয়াশার মধ্যেই দেখা যাচ্ছে আবহমান বাংলার চিরচেনা এসব দৃশ্য।
কালাই পৌরসভার এলাকার বাসিন্দা জহুরুল ইসলাম বলেন, এক সপ্তাহ হলো রাতে শীত অনুভূত হচ্ছে। কিন্তু দিনে সূর্যের তাপ ছড়ালে গরম লাগে। সকালে ঘন কুয়াশার চাঁদরে পুরো এলাকা ঢাকা থাকে। সড়কের হেড লাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেখা যায়।
এ উপজেলায় হাঁটতে বের হওয়া সহকারী শিক্ষক মিলন বলেন, গত কয়েকদিন ধরে ভোর বেলায় কুয়াশা দেখা দেওয়ায় শীতশীত অনুভূত হচ্ছে। তাছাড়া দিনে গরম লাগলে ও মাঝরাতে শীত করছে। সকাল বেলা হাঁটতে খুব ভাল লাগলেও কুয়াশা স্মরণ করিয়ে দেয় যে শীত এসে গেছে।
কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ফয়সল নাহিদ পবিত্র বলেন,এই সময় ঠান্ডাজনিত রোগে বেশি আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। বিশেষ করে ছোট বাচ্চা যাদের অ্যাজমা, নিউমোনিয়া আছে তাদের জন্য বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *