মোহাম্মদ আককাস আলী প্রতিনিধি মহাদেবপুর : নওগাঁর মহাদেবপুরে শিব মন্দির ও মূর্তি ভাংচুরের ঘটনায় ফজলুর রহমান বুলেট নামের একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ স্থানীয় ৩-৪জনের নেতৃত্বে শতাধিক ব্যক্তি এসে মূর্তি ভাঙচুর ও মন্দিরের পাশে রাখা প্রায় ২০ লাখ টাকা মূল্যের গাছের গুল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় শনিবার সকালে ভুক্তভোগী দ্বিজেন মন্ডল ৬-৭ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা করেছেন।
ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার (২৮ মার্চ) সকালে উপজেলার সফাপুর ইউনিয়নের ঘাসিয়াড়া গ্রামে।
এ ব্যাপারে, সার্বজনীন শিব ও দুর্গা মন্দির কমিটির এবং সফাপুর ইউনিয়ন পূজা উৎযাপন পরিষদের সভাপতি ভুক্তভোগী দ্বিজেন্দ্রনাথ মন্ডল জানান,আমার দানকৃত জমিতে দীর্ঘদিন আগে মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। প্রায় ৪ মাস পূর্বে ব্যক্তি মালিকানা জমিতে লাগানো ২২৫টি মেহগনি গাছ কেটে সেগুলোর গুল মন্দিরের পাশে স্তুপাকারে সাজিয়ে রাখা হয়।
শুক্রবার সকাল ১১ টার দিকে একই উপজেলার ঈশ্বর লক্ষীপুর গ্রামের মৃত বজলুর রহমান সরদারের পুত্র একে ফজলুর রহমান বুলেট, বিনোদপুর গ্রামের আমজাদ মেম্বার ও একই গ্রামের সালামের পুত্র নাসির উদ্দীন এবং ঘাসিয়াড়া গ্রামের অনিল চন্দ্র মন্ডলের ছেলে গৌউর চন্দ্র মন্ডলের নেতৃত্বে শতাধিক লাঠিয়াল বাহিনী প্রায় ৪০ ভুটভুটি নিয়ে এসে সন্ত্রাসী কায়দায় মন্দিরে হামলা চালিয়ে মন্দির ও মন্দিরে থাকা শিব মূর্তি ভাংচুর করে। এছাড়া মন্দিরের পাশে রাখা প্রায় ২০ লাখ টাকা মূল্যের কাঠের ওই গুলগুলো লুট করে পালিয়ে যায়।
ওসি শাহীন রেজা জানান, ঘটনার দিন খবর পাওয়া মাত্রই সেখানে গিয়েছিলাম। এবং ওই দিন রাতেই প্রধান অভিযুক্ত ফজলুর রহমান বুলেটকে আটক করা হয়েছে। মূলত গাছ নিয়ে এই ঘটনা। দ্বিজেন মন্ডল ৬-৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আসামি করে একটা মামলা করেছে। মামলাটি চুরি এবং গাছ পড়ে টিন ও মূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হিসেবে করেছেন। সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বুলেটকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।