মোদি বিজয়ী হলেও বহুদলীয় গণতন্ত্রের কাছে পরাজিত

রায়হান আহমেদ তপাদার – লেখক, গবেষক ও কলামিষ্ট ঃ গত ১০ বছরে ভারতীয় রাজনীতিতে সমাজ ও সংস্কৃতির চরিত্রগত পরিবর্তন হয়েছে। এই নির্বাচনের ফলে সেই চরিত্রের ফের পরিবর্তন হলো, এমন ভাবার কোনো কারণ নেই। কিছু মানুষ বাড়তি করের কারণে, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে বা বিজেপির খানিকটা ভ্রান্ত সিদ্ধান্তের কারণে একটা ধাক্কা খেয়েছে। এটা হিন্দুত্বের বিরুদ্ধে কোনো বিবৃতি নয়। যেহেতু এই হিন্দুত্ববাদের মধ্য দিয়েই নরেন্দ্র মোদির উত্থান, তাই এটাও ভাবার কোনো প্রয়োজন নেই যে তাঁর জনপ্রিয়তা কমতে শুরু করেছে। হতে পারে যে সাংঘাতিক মোদি-হাওয়া গত দুটি নির্বাচনে ছিল, তার গতি কমেছে।কিন্তু আজকের দিনেও নরেন্দ্রমোদি জনপ্রিয়তার নিরিখে ভারতের সব নেতা-নেত্রীর থেকে লক্ষ যোজন এগিয়ে। গোটা দেশজুড়েই কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে শুরু হয় লোকসভা নির্বাচনের গণনা। কিন্তু গণনা শুরুর পর শাসক জোট এনডিএকে জোর টক্কর দিল ইন্ডিয়া জোট। উত্তরপ্রদেশের যে বারানসি কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জিতেছেন, সেখানেও গতবারের চেয়ে জয়ের ব্যবধান অনেক কম। কংগ্রেস প্রার্থী অজয় রাইকে মাত্র দেড়লাখ ভোটে হারিয়েছেন মোদি।মহারাষ্ট্রেও একই অবস্থা। এনসিপি ও শিবসেনা সঙ্গ ত্যাগ করে শিবসেনার সঙ্গে জোট করে লড়াই করেছিল। কিন্তু সেখানেও উদ্যোগ ঠাকরে ও শারদ পাওয়ারের দল প্রতিপক্ষের থেকে ভালো ফল করেছে।রাজস্থান,হরিয়ানা, ঝাড়খন্ড,বিহারের মতো ভারতের হিন্দি বলের রাজ্য গুলিতে খুব ভালো ফল করেছে ইন্ডিয়া জোটের প্রার্থীরা। ভারতের রাজ্যগুলির মধ্যে সবচেয়ে বেশি লোকসভার আসন রয়েছে উত্তরপ্রদেশে। দেশটির রাজনীতিতে কথিত আছে, উত্তরপ্রদেশ যার হাতে থাকবে, ভারতের কেন্দ্রের ক্ষমতাও তার হাতে। সেক্ষেত্রে এই রাজ্যেও দাগ কাটতে পারেনি গেরুয়া শিবিরের প্রার্থীরা। তুলনামূলকভাবে ইন্ডিয়া জোটের অন্যতম শরিক দল সমাজবাদী পার্টি ভালো ফল করেছে। তৃতীয়বারের জন্য এনডিএ জোটকে ক্ষমতায় আনায় ইতিহাস তৈরি হল বলেও উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

কঠোর পরিশ্রমের জন্য বিজেপির কর্মী সমর্থকদেরও অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি। এদিকে ইন্ডিয়া জোটের এই অভূতপূর্ব সাফল্যের পর কংগ্রেস নেতা দেশের ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন রাহুল গান্ধী। এদিন দিল্লিতে সংবাদ সম্মেলন করে রাহুল জানিয়েছেন, কংগ্রেস বা ইন্ডিয়া জোট এবারের ভোটে শুধু বিজেপির বিরুদ্ধে লড়েনি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এজেন্সি ইডি, সিবিআইর অপব্যবহারের বিরুদ্ধেও লড়েছে। হাতে সংবিধান নিয়ে রাহুল বললেন, এই লড়াই ছিল সংবিধানের বাঁচানোর লড়াই। ভোটের ফল প্রকাশের পর এদিন বিকেলে কংগ্রেসের সদর দপ্তরের সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, কংগ্রেস সাংসদ সোনিয়া গান্ধী, দলের মুখপাত্র জয়রাম রমেশসহ অন্যরা। রাহুল জানিয়ে দেন, এখন একটি বিষয়ে স্পষ্ট যে, এই রায় মোদিজির বিরুদ্ধে গিয়েছে। এটা তার রাজনৈতিক হার, নৈতিক হার। যে ব্যক্তি সব জায়গায় নিজের নামে ভোট চাইতেন, এটা তার কাছে খুব বড় হার। তবে এখনো পর্যন্ত লোকসভা ভোটের গণনার যা ট্রেন্ড, তাকে তাতে কোনো দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছে না। যদিও বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট সরকার গঠনের দিকে এগিয়ে আছে। তবে এই অবস্থায় শাসক জোটকে স্বস্তিতে থাকতে দিতে নারাজ বিরোধী দলের জোট ইন্ডিয়া। দিল্লিতে কংগ্রেসের সদর দপ্তর থেকে সংবাদ সম্মেলন করে রাহুল গান্ধী সেটাই জানিয়ে দিলেন। তিনি বললেন, এই নির্বাচনের সব থেকে বড় বিষয় হল দেশবাসী একজোট হয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন, তারা মোদি জুটিকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। শুধু তাই নয়, রাহুল এও জানালেন, কেন্দ্রে সরকার গঠনের জন্য তাদের পুরনো শরিক দল জনতা দল ইউনাইটেড, তেলেগু দেশম পার্টির (টিডিপি) সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা করবেন কিনা-এই বিষয়টিতে সিদ্ধান্ত নিতে ইন্ডিয়ার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসতে চলেছে।

এই নির্বাচনে ভোটপ্রাপ্তির হিসাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির চেয়েও বড় জয় তুলে নিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের শীর্ষ দুই আইকনিক নেতা উত্তর প্রদেশে লড়েছেন। নিজ নিজ আসনে জয়ীও হয়েছেন দু’জনই। তবে মোদির চেয়ে রাহুলের জয়ে ভোটের ব্যবধান আকাশচুম্বী। তাছাড়া ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে বড় জয় পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। হার হয়েছে বিরোধী দলগুলোর অনেক বড় নেতারও। রাজ্যটির ৪২টি লোকসভা আসনের ২৯টিতে জয় পেয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল। এতে পশ্চিমবঙ্গে প্রধান দল হিসেবেই থাকছে তারা।বলা হয়, উত্তরপ্রদেশ যার, দিল্লির সিংহাসন তার। সেই উত্তর প্রদেশে সমাজবাদী দল ও কংগ্রেসের দুই চাকার সাইকেলের কাছে হেরে গিয়েছে মোদি-অমিত-যোগীর ত্রিশূলধারী রথ। ভারতীয় একটি গণমাধ্যমের ভাষায় বললে, ঘরের ছেলে হারিয়ে দিয়েছে মোদি-যোগী ডাবল ইঞ্জিনকে। প্রদেশটিতে কংগ্রেস ও সমাজবাদী দল মুসলিম, দলিত এবং নিম্নবর্গীয় জনগোষ্ঠীর ভোট সংহত করতে পেরেছে। অন্যদিকে দলিতরাও পেয়ে গেছে নতুন নেতা চন্দ্রশেখর আজাদকে। শুধু উত্তরপ্রদেশ নয়; হিন্দিবলয় বলে পরিচিত রাজ্যগুলোতে, ৩০০ আসনধারী মূল যে পাঁচটি রাজ্য ছিল বিজেপির দুর্গ, সেখানেও সম্মান টেকে কিনা সন্দেহ। এভাবে উত্তর-পূর্ব ভারতে বিজেপির আসন ১৯ থেকে ১৫-তে নেমেছে। নির্বাচনের আসল থ্রিলার ঘটেছে পশ্চিমবঙ্গে। গেরুয়া জোয়ারের আশঙ্কাকে ঘুরিয়ে দিয়ে তিনি নিশ্চিত করেছেন তৃণমূলের সবুজের শক্তি। প্রতিবেশী বাংলাদেশের জন্য এটা একটা স্বস্তির খবর বটে। বিজেপি এবং মোদি-শাহ জুটির বড় বাজি ছিল ধ্বংস করা বাবরি মসজিদের জায়গায় রামমন্দির নির্মাণ। বাজি ছিল সাম্প্রদায়িক নাগরিকত্ব আইন। বাজি ছিল উন্নয়নের রূপকথা। কিন্তু দেখা গেল খোদ অযোধ্যার রামমন্দির আসনেই হেরেছেন বিজেপি প্রার্থী।

ঐতিহাসিক ভাবে অযোধ্যা নগরী ছিল হিন্দু-মুসলিমের সম্প্রীতির শহর। মুসলমান মালির বাগানে ফোটানো গোলাপ সেখানে নিবেদিত হতো দেবতা রামের সিংহাসনের নিচে, যে সিংহাসনটা আবার বানানো হতো মুসলিম দারুশিল্পীদের হাতে। সেই অযোধ্যা জবাব দিয়ে দিয়েছে।যে উত্তরপ্রদেশে বিজেপি ২০১৯ সালের নির্বাচনে একচেটিয়া বিজয় পেয়েছিল, এবার সেখানেও তাদের অর্ধেক আসন পেতেই হয়রান হতে হচ্ছে। স্পষ্টতই ভারতের ভোটারদের বড় একটা অংশ বিক্ষুব্ধ। বিজেপি হিন্দু জাতি বানাতে চায়, কিন্তু মানুষ দেখছে যে চাকরি নাই, মূল্যস্ফীতি বেশি। মানুষ দেখেছে কভিডকালীন অসহায়ত্ব। গরিব মানুষ শোধ নিয়েছে উত্তরপ্রদেশে। সেনাবাহিনীর অগ্নিবীর স্কিম হিন্দিবলয়কে ক্ষেপিয়ে দিয়েছে। ভারতের সেনাবাহিনীর মূল অংশটাই আসত হিন্দিবলয় থেকে। এ স্কিমের কারণে তারা বঞ্চিত বোধ করেছে। মোদি হাওয়া ক্ষুধার্ত ভারতের মন মজাতে চাইলেও পাকস্থলী ভরাতে পারেনি। তারা মনে রেখেছে ডিমনিটাইজেশনের ধাক্কা, আয় কমে যাওয়ার কষ্ট। যতই দেবদেবীর কথা বলা হোক না কেন, জনতা দেখেছে আদানি-আম্বানি- জিন্দালদের শান-শওকতের বিস্ময়কর বৃদ্ধি। সম্ভবত ভারতজুড়ে মুসলিম-খ্রিষ্টান-দলিত ও নিম্নবর্ণের ভোটও বিজেপির বিরুদ্ধে চলে গেছে। মোদি ম্যাজিক কাজ করেনি, কাজ করেছে বাস্তববোধ। সেই বাস্তববোধের কাছে নৈতিক ও রাজনৈতিক পরাজয় ঘটেছে ভারতের পরাক্রমশালী প্রধানমন্ত্রীর। নিজেকে যে ‘লার্জার দ্যান লাইফ’ চরিত্রে তিনি দেখাতে অভ্যস্ত ছিলেন, সেটা এখন সত্যিকার চেহারায় দেখা দিয়েছে। একদলীয়, একধর্মীয় উগ্র জাতীয়তাবাদ এবং আগ্রাসী পুঁজিবাদী শক্তির কাছে ভারতের সমর্পণ ঠেকাবার শেষ লড়াই ছিল এই সংসদীয় নির্বাচন।ভারতের জনগণ সেই অগ্নি পরীক্ষায় পুরোপুরি উত্তীর্ণ না হলেও বিপর্যয় ঠেকিয়ে দিয়েছে। যে মন্ত্রে অতীতে বৈতরণী পার হওয়া গিয়েছিল, সেই মন্ত্র যে সবখানেই একই রকম কাজে দেবে-ইতিহাস তা বলে না।

ইতিহাস কখনোই ভারতীয় সমাজের বহুত্ববাদী চরিত্রের সাম্প্রদায়িক গড়ন সমর্থন করে না। মনে রাখা দরকার, পেন্ডুলাম একদিকে যত বেশি ঝুঁকে যাবে, দোলার নিয়মে বিপরীত দিকে ঝুঁকবার সম্ভাবনা ততই বাড়বে। সেই দোল-বদল এবং দল-বদলের লক্ষণ ফুটে উঠেছে এবারের ভোটের ব্যাকরণে। পাশাপাশি এটাও সত্য যে, তরুণেরা আর বাহারি বুলিতে ভুলতে রাজি ছিল না। ধ্রুব রাঠি নামে যে তরুণ কোটি কোটি ভারতবাসীকে মোদিবিরোধী প্রচারণায় মাতিয়ে দিয়েছেন, তিনি তো একা নন; তাঁর মতো আরও ছোট ছোট ধ্রুব রাঠি ইউটিউবার গণতন্ত্রের জন্য লড়েছেন। সে জন্যই বলা হচ্ছে, এই নির্বাচন ইউটিউবার বনাম গদি মিডিয়ার নির্বাচন। অথচ সরকারি মদদপুষ্ট ভারতের গদি মিডিয়া বুথফেরত জরিপের দোহাই দিয়ে গদিনশিনদের বিপুল বিজয়ের আভাস দিয়েছিল। দিন শেষে দেখা যাচ্ছে, মোদি জিতলেও গদি মিডিয়ার মুখ দেখাবার উপায় নাই। তাদের কোনো দাবিই ভোটে টেকেনি। এবার যে শুধু মোদি ম্যাজিকই ফেল মেরেছে তাই না, বিজেপির মোদি-কেন্দ্রিক নির্বাচনী কৌশলটাই বুমেরাং হয়েছে বলে দেখা যাচ্ছে। এই ঘটনা নরেন্দ্র মোদির রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য একটা ধাক্কা। কারণ, ইতোমধ্যে বিজেপির সঙ্গে তাদের আদর্শিক কেন্দ্র আরএসএসের দূরত্ব তৈরি হয়েছে। আরএসএস নির্বাচনী ফলের সুবাদে মোদির নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুললে তাই অবাক হবার কিছু থাকবে না। ২০২৪-এর নির্বাচনের বিশেষ দিক তাহলে এটাই যে, বিজেপির জোট এনডিএ কমজোরি হলেও শক্তি ফিরে পেল ভারতের বহুদলীয় গণতন্ত্র। বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্রের পিছু হঠার এই কালে বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশে দল নয়, বরং জিতল গণতন্ত্র। শাসক ও শাসিতের মধ্যে ক্ষমতার যে ভারসাম্য ছাড়া গণতন্ত্র অকেজো, সেই ভারসাম্য ফিরে আসার সুযোগ পেল। জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে দেশকে একচেটিয়াতন্ত্রের দিকে নিয়ে যাওয়ার খেলাও হোঁচট খেল।

ভারতের এই নির্বাচন প্রমাণ করেছে, যতই অজেয় ও চতুর হোক না কেন কর্তৃত্ববাদী শাসকেরা, দল-মত ভুলে একসঙ্গে দাঁড়ালে পর্বতও ঢিবিতে পরিণত হতে পারে। ভারতের ভোটারেরা এভাবে বিশ্বগুরু ও অবতার বনতে চাওয়া নরেন্দ্র মোদিকে বাস্তবতায় ফিরিয়ে আনল। আব্রাহাম লিঙ্কনের কথাটাই সত্য হলো: আপনি সব মানুষকে কিছুদিনের জন্য বোকা বানাতে পারেন, কিছু মানুষকে সব সময়ের জন্য বোকা বানাতে পারেন; কিন্তু সকলকে সব সময় বোকা বানাতে পারবেন না। স্পষ্টতই ভারতের ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাচ্ছে বিজেপি। সঙ্গে হারাচ্ছে ভারতকে শতভাগ হিন্দু নেশন বানানোর ইউটোপিয়া। এবারের লোকসভা নির্বাচনে ৪০০ আসন পার স্লোগান ঠেকে যাচ্ছে ৩০০-এরও নিচে। সংবিধানকে বদলে ফেলা, কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা থেকে সরাবার পর রাজ্য হিসেবে ঘোষণা দেওয়াও সম্ভবত ঠেকে গেল। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতাই যেখানে থাকছে না, সেখানে সংবিধান বদলে ফেলা তো দূর অস্ত। দিল্লির মসনদে মোদি বসবেন বটে, কিন্তু রাজদরবারের খিলান দরজা দিয়ে বুক চিতিয়ে নয়, কিছুটা খাটো হয়ে ঢুকতে হবে এবার। এবার তাঁকে শুধু বিজেপির প্রধানমন্ত্রী বলা যাবে না। তাঁকে প্রধানমন্ত্রী হতে হবে এনডিএ জোটের শরিকদের সমর্থনের ঋণ নিয়ে। সেটাতেও না কুলালে ভিন্ন দল থেকে এমপি কেনাবেচায় নামতে হবে। সুতরাং ঋণ করে ঘি খাওয়ার চাপে থাকবেন তিনি ও তাঁর দল। পুনরুজ্জীবিত বিরোধী দল কংগ্রেস ও তাদের শক্তিশালী জোট ইন্ডিয়া-কেও এবার সমঝে চলতে হবে তাঁকে। ভারতের পার্লামেন্টে আর একচেটিয়া ক্ষমতার দম্ভ দেখানোর জায়গা থাকবে না। শরিকদের মন জুগিয়ে চলার ঠ্যাকা বিজেপি কীভাবে সামলায়, তা এখন দেখার অপেক্ষা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *