আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের আইনগত অবস্থান ও সাংগঠনিক কার্যক্রম সম্পর্কে বিবৃতি

হাকিকুল ইসলাম খোকন, প্রতিনিধি আমেরিকা :  রংধনু নারী ফাউন্ডেশন রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ পরিবারের জন্য আন্তর্জাতিক অধিকার আদায়ের আন্দোলন করতে নিবন্ধন পূর্বশর্ত নয়। তবে, প্রাতিষ্ঠানিক ও আর্থিক কার্যক্রমে প্রচলিত দেশের আইন মানতে হবে বলেছেন আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের আহবায়ক অ্যাডভোকেট এএনএম. ঈসা।

আইনের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা প্রথমে আইনকে শ্রদ্ধা করি।
সাম্প্রতিক সময়ে কিছু ব্যক্তি আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের নিবন্ধন এবং আইনগত বৈধতা সম্পর্কে প্রশ্ন ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সংগঠনের পক্ষ থেকে তাঁদের মতামতকে আমরা সম্মানের সঙ্গে গ্রহণ করছি। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সংগঠনের বর্তমান অবস্থান, লক্ষ্য, সাংবিধানিক ভিত্তি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা পরিষ্কারভাবে জানানো প্রয়োজন বলে মনে করছি।

অ্যাডভোকেট এএনএম. ঈসা বলেন, নিজের অথবা জনগোষ্ঠীর ন্যায়সংগত অধিকার দাবি আদায় করা কোন অপরাধ নয়। রাষ্ট্রের কোন নীতি, সিদ্ধান্ত, বৈষম্য বা অব্যবস্থার বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণভাবে মতামত প্রকাশ, আবেদন, সভা, প্রচারণা কিংবা জনসচেতনতা সৃষ্টি করার জন্য প্রথমেই একটি নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি হওয়া বাধ্যতামূলক নয়। বাংলাদেশের সংবিধান নাগরিককে সরাসরি এসব অধিকার দিয়েছে। নিবন্ধন নম্বর কোন নাগরিকের মৌলিক অধিকারের উৎস নয়; অধিকারটির উৎস হচ্ছে সংবিধান।
সাংবিধানিক ভিত্তি: সংবিধানের ৩৭ অনুচ্ছেদ: শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার: বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৭ অনুচ্ছেদে প্রত্যেক নাগরিককে আইনসঙ্গত সীমার মধ্যে অস্ত্রহীন ও শান্তিপূর্ণভাবে সমবেত হওয়া এবং জনসভা ও শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণের অধিকার দেওয়া হয়েছে।

অতএব, প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সমস্যা, নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা, ভোটাধিকার, পেনশন, বিমান বন্দরের সেবা কিংবা সংসদীয় সংস্কারের দাবিতে নাগরিকেরা শান্তিপূর্ণ আলোচনা সভা, মানববন্ধন, ভার্চুয়াল সভা বা জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারেন। তবে জনশৃঙ্খলা, জনস্বাস্থ্য, সভাস্থল ব্যবহারে স্থানীয় প্রশাসনের প্রযোজ্য বিধান অবশ্যই মানতে হবে।
সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদ: সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদে নাগরিকদের সমিতি বা সংগঠনের অধিকার স্বীকৃত হয়েছে। তার মাধ্যমে একই উদ্দেশ্য ও অভিন্ন স্বার্থে মানুষ একত্রিত হয়ে সংগঠন, ফোরাম, পরিষদ, আন্দোলন বা কমিটি গঠন করতে পারবেন। কয়েকজন নাগরিক একটি সাধারণ উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়ে আলোচনা করা, দাবি প্রণয়ন করা, সদস্য সংগ্রহ করা, আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা কিংবা শান্তিপূর্ণ প্রচারণা পরিচালনা করলেই তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেআইনি হবে না। তবে সংবিধান বিরোধী, সন্ত্রাসী, সাম্প্রদায়িক বা জননিরাপত্তাবিরোধী উদ্দেশ্যে সংগঠন গঠন সংবিধানের সুরক্ষা পায় না। একইভাবে সংগঠনটি যখন আনুষ্ঠানিক আইনগত সত্তা, ব্যাংক হিসাব, সম্পত্তি, চুক্তি, অনুদান বা আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে, তখন সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণমূলক আইন অনুসরণ করতে হবে।
সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ: চিন্তা, বিবেক ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা—সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ নাগরিকের চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং আইনসঙ্গত সীমার মধ্যে বাক ও মতপ্রকাশের অধিকার নিশ্চিত করেছে। এই অধিকার অনুযায়ী একজন নাগরিক বলতে পারেন—“প্রবাসীদের ন্যায্য অধিকার দিতে হবে,” “নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে হবে,” “সংসদ সদস্যদের স্বাধীন মতপ্রকাশের সুযোগ দিতে হবে,” “প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের ভোটাধিকার, পেনশন ও বিমান বন্দরে সম্মানজনক সেবা দিতে হবে।” এ ধরনের বক্তব্য প্রকাশের আগে কোন নিবন্ধন নম্বর দেখানো মৌলিক অধিকার প্রয়োগের শর্ত লাগে না। তবে স্বাধীনতার মানহানি, আদালত অবমাননা, সহিংসতায় উসকানি, অপরাধ সংঘটনের আহ্বান কিংবা জনশৃঙ্খলা বিনষ্ট করার অনুমতি দেয় না।

সংবিধানের ৪৪ ও ১০২ অনুচ্ছেদ: মৌলিক অধিকার বাস্তবায়নের প্রতিকার–সংবিধানের ৪৪ অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য হাইকোর্ট বিভাগে যাওয়ার অধিকার স্বীকৃত আছে এবং সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগ উপযুক্ত ক্ষেত্রে নির্দেশ, আদেশ ও রিট জারি করতে পারে। এর অর্থ হলো, কোন নাগরিকের মৌলিক অধিকার বেআইনিভাবে লঙ্ঘিত হলে তাঁর জন্য সাংবিধানিক প্রতিকারের পথ খোলা রয়েছে। অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আদালতে যাওয়ার ক্ষেত্রে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি নিজেই প্রতিকার চাইতে পারেন, তাঁকে অবশ্যই কোন নিবন্ধিত সংগঠনের প্রতিনিধি হতে হবে, এমন সাধারণ শর্ত সংবিধানে নেই।
টিপাইমুখ বাঁধবিরোধী আন্দোলন–ভারত ফারাক্কা বাঁধ ও তিস্তা-সংক্রান্ত বাঁধ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। কিন্তু টিপাইমুখ বাঁধ প্রকল্পের বিরোধিতায় অ্যাডভোকেট এএনএম. ঈসা ভারতের এই উদ্যোগের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন এবং তাঁর সমর্থকদের মতে, এ আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এ কারণে তাঁকে টিপাইমুখ বাঁধ প্রতিরোধ আন্দোলনের জনক বলা হয়। তিনি একজন নাগরিক হিসেবে নদী, পরিবেশ এবং দেশের স্বার্থে বক্তব্য রেখেছিলেন। এ ধরনের প্রতিবাদ করতে কোন সংগঠনের নিবন্ধন নম্বর তাঁর মৌলিক অধিকার প্রয়োগের পূর্বশর্ত নয়। প্রবাসীদের ভোটাধিকার আন্দোলন–অ্যাডভোকেট এএনএম ঈসা প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকারের দাবি তুলে ধরেছেন। তাঁর দাবি অনুযায়ী, বিশিষ্ট সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেনের মাধ্যমে হাইকোর্টে রিট দায়ের করে প্রবাসীদের ভোটাধিকারের বিষয়টি আইনগতভাবে প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ কারণে তাঁকে প্রবাসীদের ভোটাধিকার আন্দোলনের জনক বলা হয়। এই দাবি জানানোর জন্য কোন নিবন্ধিত সংগঠনের প্রতিনিধি হওয়া বাধ্যতামূলক নয়। সংবিধানের ৭০(খ) অনুচ্ছেদ সংস্কারের আন্দোলন-অ্যাডভোকেট এএনএম. ঈসা দীর্ঘদিন ধরে সংবিধানের ৭০(খ) অনুচ্ছেদের সংশোধন, সংস্কার বা প্রয়োজনীয় অংশ বাতিলের পক্ষে আন্দোলন করে আসছেন। সংবিধানের ৭০(খ) অনুচ্ছেদ দলীয় মনোনয়নে নির্বাচিত সংসদ সদস্যের দলত্যাগ বা সংসদে দলের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার পরিণতি নির্ধারণ করে। এই বিধান সংসদীয় স্থিতিশীলতা রক্ষা করে—এমন মত যেমন রয়েছে, তেমনি এটি সংসদ সদস্যদের স্বাধীন মতপ্রকাশ ও বিবেক অনুযায়ী ভোট দেওয়ার ক্ষমতা সীমিত করে—এমন সমালোচনাও রয়েছে। আইনগতভাবে সঠিক ও নিরাপদ ভাষা হবে— “সংবিধানের ৭০(খ) অনুচ্ছেদের সংশোধন, সংস্কার বা প্রয়োজনীয় অংশ বাতিলের দাবি।” কোন সাংবিধানিক বিধান সংশোধনের দাবি জানাতে নাগরিকের কোন সংগঠনের নিবন্ধন প্রয়োজন হয় না। তবে প্রকৃত সংশোধন সংসদের সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই সম্পন্ন হতে হবে। জুলাই গণ-আন্দোলনের উদাহরণ–জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের ক্ষেত্রেও অংশগ্রহণকারীদের সাংবিধানিক অধিকার কোন সংগঠনের নিবন্ধন সনদ থেকে সৃষ্টি হয়নি। তাঁদের দাবি ও প্রতিবাদের অধিকার তাঁদের নাগরিকত্ব এবং সংবিধান থেকেই এসেছে। দেশবন্ধু খেতাব ও পদক প্রদান–আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ নবাব স্যার সলিমুল্লাহর শিক্ষা ক্ষেত্রে অবদানের প্রতি সম্মান জানিয়ে তাঁকে সাংগঠনিকভাবে “দেশবন্ধু” খেতাবে ভূষিত করার ঘোষণা দিয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের ৬৪টি জেলায় শিক্ষা উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা ৬৪ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে “দেশবন্ধু পদক” প্রদানের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। যে কোন সামাজিক বা নাগরিক সংগঠন নিজস্ব উদ্যোগে সম্মাননা, স্মারক, সনদ বা পদক প্রদান করতে পারে। তবে সেই সম্মাননাকে রাষ্ট্রীয় পদক, সরকারি উপাধি, একাডেমিক ডিগ্রি বা আইনগত সরকারি স্বীকৃতি হিসেবে উপস্থাপন করা যাবে না। সুতরাং, আমাদের “দেশবন্ধু” খেতাব ও “দেশবন্ধু পদক” হবে একটি বেসরকারি ও সাংগঠনিক সম্মাননা। এ ধরনের সম্মাননা ঘোষণার জন্য আলাদা সরকারি নিবন্ধন সব ক্ষেত্রে পূর্বশর্ত না হলেও অর্থ সংগ্রহ, স্পন্সরশিপ, কর, অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনা এবং প্রাতিষ্ঠানিক লেনদেনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আইন মেনে চলতে হবে। আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের বর্তমান সাংগঠনিক অবস্থা–আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ বর্তমানে আহ্বায়ক কমিটির মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের বর্তমান কার্যক্রম, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও সাংগঠনিক অঙ্গীকার বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিয়ে পর্যায়ক্রমে দেশ, অঞ্চল ও স্থানীয় পর্যায়ে কমিটি গঠনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে যুক্তরাজ্যের নিউক্যাসল শহরে আমাদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত হয়েছে। সংগঠনের প্রধান উদ্দেশ্য হলো—প্রবাসীদের ন্যায্য অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি, প্রবাসীদের ছয় দফা দাবির প্রচার, বিমান বন্দরে সম্মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, প্রবাসী পেনশন বা কল্যাণ তহবিলের দাবি উত্থাপন, প্রবাসীদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা এবং শান্তিপূর্ণ ও আইনসঙ্গতভাবে জনমত গড়ে তোলা। সংগঠনের আহ্বায়ক ও প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডভোকেট এএমএম. ঈসা বলেন, ২০২৭ সালের নভেম্বর মাসে একটি আন্তর্জাতিক মহাসম্মেলন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। সংগঠনের পরিকল্পনা অনুযায়ী বাংলাদেশ, এশিয়া,যুক্তরাজ্য, ইউরোপ, আমেরিকা অথবা উপযুক্ত অন্য কোন স্থানে এই আন্তর্জাতিক মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে পারে। সেই মহাসম্মেলনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক কমিটি ঘোষণা করা হবে, সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুমোদন করা হবে, সদস্যপদ ও নির্বাচন পদ্ধতি চূড়ান্ত করা হবে, আর্থিক নীতিমালা গ্রহণ করা হবে, জবাবদিহি ও নিরীক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হবে এবং উপযুক্ত দেশে আইনগত নিবন্ধন গ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সংগঠনটির কার্যক্রম আন্তর্জাতিক হওয়ায় প্রধান নিবন্ধন কোন দেশে করা হবে এবং অন্যান্য দেশে শাখা বা সহযোগী প্রতিষ্ঠান কীভাবে পরিচালিত হবে, তা আইনজীবী, হিসাব বিশেষজ্ঞ এবং সংশ্লিষ্ট দেশের সংগঠন নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের পরামর্শ নিয়ে নির্ধারণ করা হবে। সংগঠনের অঙ্গীকার-নিবন্ধনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ কোন বিভ্রান্তিকর দাবি করবে না। এটি কোন সরকারি নিবন্ধিত সংস্থা, আন্তর্জাতিক সংস্থা বা রাষ্ট্রস্বীকৃত প্রতিষ্ঠান নয়। সংগঠনটি শান্তিপূর্ণ প্রচারণা, মতপ্রকাশ, ভার্চুয়াল আলোচনা, গবেষণা, স্মারকলিপি প্রদান এবং জনসচেতনতামূলক কর্মসূচির মধ্যেই তার কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখবে। কোন অর্থ, অনুদান, বিদেশি সহায়তা বা সদস্য চাঁদা গ্রহণ করা হলে তা সংশ্লিষ্ট দেশের প্রচলিত আইন, ব্যাংকিং বিধান, কর নীতি এবং নিবন্ধন সংক্রান্ত শর্তাবলি অনুসরণ করেই গ্রহণ করা হবে। অ্যাডভোকেট এ. এন. এম. ঈসা বলেন, “অধিকার দাবি করতে নিবন্ধনের প্রয়োজন হয় না। তবে একটি সংগঠনকে স্থায়ী, জবাবদিহিমূলক ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে পরিচালনা করতে হলে যথাসময়ে প্রচলিত আইন অনুযায়ী নিবন্ধন গ্রহণ করা প্রয়োজন। আমরা বর্তমানে আহ্বায়ক কমিটির মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী সংগঠন গড়ে তুলছি। ২০২৭ সালের মহাসম্মেলনের পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি ও গঠনতন্ত্র অনুমোদনের মাধ্যমে উপযুক্ত আইনি কাঠামোর অধীনে নিবন্ধনের ব্যবস্থা করা হবে।” আমরা আশা করি, এই ব্যাখ্যার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের বর্তমান অবস্থা, সাংবিধানিক অধিকার এবং ভবিষ্যৎ নিবন্ধন পরিকল্পনা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সবার বিভ্রান্তি অনেকাংশে দূর হবে।

আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ ও রংধনু নারী ফাউন্ডেশন পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।সংগঠনের সদস‍্য সচিব এমএ রউফ বলেছেন,
ভূল আমাদের হতে পারে৷ শুদ্ধ করে দেওয়ার দায়িত্ব আপনারা। আমাদেরকে শুদ্ধ করে দিবেন। ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। আমারা মানুষ ভূল হতে পারে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *