মোহাম্মদ আককাস আলী প্রতিনিধি মহাদেবপুর : নওগাঁর মহাদেবপুরে কথিত সাংবাদিক নামে মাদকসেবী,চাঁদাবাজদের ষড়যন্ত্র ধুলিস্যাৎ করে দিয়েছে ছাত্রজনতা। ওই সব কথিত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে একাধিক মাদকসেবীর ভিডিও ভাইরাল, একাধিক চাঁদাবাজি মামলায় তারা জেল হাজতে ছিলেন দীর্ঘদিন। প্রতিদিন তারা চাঁদাবাজির টাকায় নেশার জগতে হারিয়ে যায়। মহাদেবপুরবাসী কথিত ওইসব সাংবাদিকদের ভালো করে চিনে।
সোমবার (২৪ মার্চ) সাংবাদিক বরুন মজুমদার, আককাস আলী,সাখোয়াত হোসেন তথ্য সংগ্রহের জন্য উপজেলা খাদ্য অফিসে গেলে কথিত সাংবাদিক নামের কলঙ্ক ধারি মাদকসেবী,চাঁদাবাজ কাজী সাঈদ টিটু,ইউসুফ আলী সুমন,সুহেল রানাসহ একটা চক্র চাঁদাবাজীর হাতিয়ার ফেসবুক আইডি মহাদেবপুরের দর্পণে পিছন থেকে লাইভ দেখিয়ে বাহবা নেওয়ার চেষ্টা করে এবং বরুন মজুমদার ও আককাস আলীকে চাঁদাবাজি মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করে। মহাদেবপুর দর্পণে লাইভ দেখে একদল ছাত্রজনতা ওই কথিত সাংবাদিক,মাদকাসক্ত চাঁদাবাজদের ধাওয়া করলে পালিয়ে যায় এবং তাদের পাতানো ষড়যন্ত্র ধূলিসাৎ হয়। উল্লেখ্য,কথিত চাঁদাবাজ মাদক সেবী সাংবাদিক কাজী সাঈদ টিটু একজন কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীর হাতে ফেনসিডিল খাওয়ানো ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় এলাকায় টক অফ দ্যা টাউনে পরিণত হয়েছিলো। সবার মোবাইলে মোবাইলে এখনো তার ফেনসিডিল খাওয়ানো ভিডিও রয়েছে। এ ঘটনায় সাংবাদিক বরুণ মজুমদার জানান,খাদ্য গুদামে তথ্য সংগ্রহের জন্য আমরা গেলে তারা আমাদেরকে আওয়ামী লীগের সাংবাদিক বলে গালিগালাজ করে এবং মারধরের হুমকি ধামকি দেয়। এ ব্যাপারে তাৎক্ষণিক ইউএনও মো.আরিফুজ্জামান, ওসি শাহিন রেজাকে অবগত করা হয়। প্রকাশ থাকে যে,কথিত সাংবাদিক সম্প্রতি সময়ে ছিনতাই মামলায় মহিষবাথান বাসির হাতে আটক হলে আমিসহ আককাস ভাই মুচলিকা দিয়ে তাকে উদ্ধার করি।
উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা যাইদুর রহমানের সাথে কথা হলে তিনি জানান,ওই সাংবাদিকেরা আমার কাছে কোন চাঁদা নিতে আসেননি। তারা তথ্য সংগ্রহের জন্য এসেছিলেন আমার অফিসে। ওই সময় আমি অফিসে ছিলাম না। পরে শুনলাম অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা।